ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. খেলাধুলা

সাফ ফুটসালের অভিষেক আসরে সেরাটা দিতে চান সাবিনারা

বিশেষ সংবাদদাতা | প্রকাশিত: ০৯:৪৯ পিএম, ১১ জানুয়ারি ২০২৬

ফুটসাল বাংলাদেশের মেয়েদের জন্য নতুন নয়। ২০১৮ সালে থাইল্যান্ডের ব্যাংককে এএফসি উইমেন্স ফুটসাল চ্যাম্পিয়নশিপের বাছাইয়ে তিনটি ম্যাচ খেলেছিলেন সাবিনা খাতুন-মাসুরা পারভীনরা। বড় ব্যবধানে মালয়েশিয়া, ভিয়েতনাম ও চাইনিজ তাইপের বিপক্ষে হারের সেই অভিজ্ঞতা নিয়ে বাংলাদেশের মেয়েরা আবার ফুটসাল খেলতে নামছেন ৮ বছর পর।

এবারের প্রতিযোগিতা সাফ নারী ফুটসাল চ্যাম্পিয়নশিপ। এবারই যাত্রা করছে সাফের নতুন এই টুর্নামেন্ট। প্রথম আসর বসছে থাইল্যান্ডেই, যেখানে ফুটসালে অভিষেক হয়েছিল বাংলাদেশ নারী ফুটবলারদের।

প্রথম সাফ ফুটসালে নারী ও পুরুষ দুই বিভাগের খেলা পাশাপাশি হতে যাচ্ছে। অংশ নেবে দক্ষিণ এশিয়ার ৭ দেশই। বুধবার শুরু হচ্ছে মেয়েদের খেলা, পরের দিন ছেলেদের। ছেলেদের বিভাগে বাংলাদেশের খেলা আছে উদ্বোধনী দিনেই। প্রতিপক্ষ ভারত। তবে বাংলাদেশের সাফ শুরু হবে ১৫ জানুয়ারি। এই বিভাগেও বাংলাদেশের প্রথম প্রতিপক্ষ ভারত।

সাবিনা খাতুন বাংলাদেশ জাতীয় ফুটসাল দলের অধিনায়ক। লম্বা একটা সময় জাতীয় দলের অধিনায়কত্ব করা সাবিনা এখন ফুটসালের কান্ডারি। পিটার বাটলারের সাথে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে জাতীয় দলের খেলার সুযোগ হারিয়েছেন সাবিনা, মাসুরা পারভীনসহ সিনিয়র বেশ কয়েকজন ফুটবলার।

ফুটসালের মাধ্যমে সাবিনারা আবার গায়ে জড়াবেন জাতীয় দলের জার্সি। ব্যাংকক থেকে এক ভিডিও বার্তায় রোববার সাবিনা খাতুন আশা প্রকাশ করছেন, সাফ ফুটসালের প্রথম আসরে নিজেদের সেরাটা দিয়ে ভালো কিছু করতে। ফুটবলে বাংলাদেশের মেয়েরা টানা দুইবার সাফের চ্যাম্পিয়ন। ফুটসালের প্রথম আসরে দক্ষিণ এশিয়ার সিংহাসনে বসতে পারবেন কিনা লাল-সবুজের মেয়েরা, সেটাই দেখার।

সাবিনা খাতুন বলেছেন, ‘আমি ফুটবলে দীর্ঘদিন ধরে খেলেছি। ফুটসালটা হচ্ছে আমাদের জন্য একেবারেই নতুন। তবে আমাদের বিশ্বাস আছে টুর্নামেন্টে ভালো কিছু করার। ফুটবল হোক কিংবা ফুটসাল, দেশের জন্য খেলাটা তো সবসময় গর্বের বিষয়। আমাদের প্রস্তুতি বেশ ভালো ছিল। কোচ ইতিমধ্যে উল্লেখ করেছেন যে, আমাদের প্রস্তুতির জন্য খুব অল্প সময় ছিল এবং দলের অধিকাংশ সদস্যই নতুন। তাই এটি আমাদের জন্য শুরুর অংশ।’

ইরানি কোচ সাঈদ খোদারাহমি আলাদা এক ভিডিও বার্তায বলেছেন, ‘বাংলাদেশে নারী দলের জন্য দক্ষিণ এশিয়ায় এটিই প্রথম সাফ ফুটসাল আয়োজন। আমার মনে হয় সব দলই সমান অবস্থানে আছে। কারণ এটি সবার জন্যই নতুন। খেলোয়াড় নির্বাচনের জন্য আমরা মাত্র একমাস সময় পেয়েছি। আপনারা জানেন যে, সব খেলোয়াড়ই মূলত ফুটবলার, কারণ বাংলাদেশে কোনো ফুটসাল নেই।’

গ্রুপের এক প্রতিপক্ষ মিয়ানমার সম্পর্কে বাংলাদেশ কোচ বলেছেন, ‘আমি মিয়ানমারে গিয়েছি, যা এখন বাংলাদেশের মতোই। আমি এই দেশের ফুটসালের উন্নয়নের জন্য পাঁচ বছরের একটি পরিকল্পনা চাই। যখন মিয়ানমারে গিয়েছিলাম তখন তাদের র‍্যাংকিং ছিল ১০৩। এখন তাদের র‍্যাংকিং সম্ভবত ৬৯ বা ৬৮। আমি খুবই আনন্দিত। শুরুর জন্য সব দেশেরই ভালো পরিকল্পনা এবং ভালো ভিত্তি প্রয়োজন। দেশের ভালো সম্ভাবনা আছে। এখন শুধু কিছু পরিকল্পনা এবং উদ্যোগ প্রয়োজন।’

আরআই/আইএইচএস/