কেইন না থাকলেও সমস্যা নেই, অপ্রতিরোধ্যই থাকলো বায়ার্ন
হ্যারি কেইন দলে না থাকলেও কোনো সমস্যা হয়নি। অন্য তারকাদের যুগলবন্দী পারফরম্যান্সে জার্মান বুন্দেসলিগায় শুক্রবার রাতে দারুণ এক পারফরম্যান্সে বায়ার্ন মিউনিখ ৪-১ গোলে হারিয়েছে বরুসিয়া মনচেনগ্লাডবাখকে।
এই জয়ে শীর্ষে থাকা বায়ার্ন দ্বিতীয় স্থানে থাকা বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের চেয়ে ব্যবধান বাড়িয়ে নিয়েছে ১৪ পয়েন্টে। ২৫ ম্যাচে বায়ার্নের অর্জন ৬৬ পয়েন্ট। ২৪ ম্যাচে বরুশিয়ার পয়েন্ট ৫২।
ম্যাচে সবচেয়ে বড় ভূমিকা ছিল কলম্বিয়ান উইঙ্গার লুইস দিয়াজের। একটি গোল করার পাশাপাশি আরেকটি গোলে সহায়তা করে দলের বড় জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন তিনি।
ইনজুরির কারণে নিয়মিত স্ট্রাইকার হ্যারি কেইন খেলতে পারেননি। তার জায়গায় সেন্টার-ফরোয়ার্ড হিসেবে শুরু করেন নিকোলাস জ্যাকসন। এছাড়া গত সপ্তাহে ডর্টমুন্ডকে হারানো ‘ডের ক্লাসিকার’ ম্যাচের একাদশ থেকে সাতটি পরিবর্তন এনে দল সাজান কোচ ভিনসেন্ট কোম্পানি।
প্রথমার্ধে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় বায়ার্ন। ৩৩ মিনিটে কর্নার থেকে আসা বল ভলি শটে জালে পাঠিয়ে দলকে এগিয়ে দেন লুইস দিয়াজ। দারুণ এই গোলের মাধ্যমে ম্যাচে আধিপত্যের সূচনা করে স্বাগতিকরা।
এর ১২ মিনিট পর আবারও আলোচনায় আসেন দিয়াজ। তার বুদ্ধিদীপ্ত পাস থেকে গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন কনরাড লাইমার। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই ম্যাচ প্রায় বায়ার্নের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই আরও বড় ধাক্কা খায় গ্লাডবাখ। ৫৫ মিনিটে বায়ার্নের ফরোয়ার্ড জ্যাকসনকে রাগবি স্টাইলে ফেলে দেওয়ায় সরাসরি লাল কার্ড দেখেন রোকো রেইৎজ। ফলে ১০ জন নিয়ে খেলতে বাধ্য হয় অতিথিরা।
এই ফাউলের জন্য পাওয়া পেনাল্টি থেকে গোল করেন জামাল মুসিয়ালা। এটি ছিল এই মৌসুমে তার প্রথম গোল। এরপর ম্যাচের ৭৯ মিনিটে গোল করে বায়ার্নের চতুর্থ গোলটি যোগ করেন নিকোলাস জ্যাকসন, যা তার দলে ফেরার ম্যাচকে আরও স্মরণীয় করে তোলে।
ম্যাচের শেষদিকে গ্লাডবাখ একটি সান্ত্বনা গোল পায়। ১৭ বছর বয়সী ওয়েল মোহিয়া গোল করে ক্লাবটির ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ গোলদাতা হওয়ার কীর্তি গড়েন।
তবে বড় জয়ের মাঝেও কিছুটা উদ্বেগ ছিল বায়ার্ন শিবিরে। প্রথমার্ধ শেষে বদলি হয়ে মাঠ ছাড়েন অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নুয়্যার। ইনজুরি থেকে সেরে দুই ম্যাচ আগেই ফিরেছিলেন তিনি।
আইএইচএস/