ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. খেলাধুলা

কাতার সংকট : বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়ে শঙ্কা

প্রকাশিত: ০১:৪১ পিএম, ০৬ জুন ২০১৭

কাতার নিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে দেখা দিয়েছে গভীর সঙ্কট। প্রতিবেশি দেশগুলো কাতারের সঙ্গে কুটনৈতিক সম্পর্ক চিন্ন করার পর দেশটির সীমান্তও বন্ধ করে দিয়েছে। এমনকি প্রতিবেশি দেশগুলো তাদের আকাশসীমাও কাতারের জন্য বন্ধ করে দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এমন কঠোর পরিস্থিতিতে কাতারে আগামী ২০২২ বিশ্বকাপ ফুটবল আয়োজন পড়ে গিয়েছে গভীর শঙ্কায়।

সৌদি আরবের পক্ষ থেকেই সবচেয়ে বড় অভিযোগটা তোলা হয়েছে কাতারের বিপক্ষে। সৌদি সরকারের দাবি, কাতার সন্ত্রাসবাদের মদদ যোগাচ্ছে। সন্ত্রাসের অড় অর্থায়ন করছে তারা। সৌদি আরবের সঙ্গে যোগ দিয়েছে মিশর, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং বাহরাইন। এসব দেশ কাতারের সঙ্গে কুটনৈতিক সম্পর্ক চিন্ন করার পর সীমান্ত বন্ধ করে দিয়েছে। একই সঙ্গে নৌপথ ও আকাশ পথের যোগাযোগও বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে।

২০২২ বিশ্বকাপের জন্য বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ব্যায়ে প্রস্তুতি সম্পন্ন করে আনছে কাতার কর্তৃপক্ষ। যার মধ্যে রয়েছে ৯টি নতুন স্টেডিয়াম নির্মাণ এবং প্রচুর অবকাঠামোগত উন্নয়ন। কাতারের স্থানীয় মিডিয়া শঙ্কা প্রকাশ করছে, যেভাবে অবরোধ তৈরি করা হয়েছে কাতারের ওপর, তাতে করে দেশটিতে খাদ্য সঙ্কট দেখা দিতে পারে।

সৌদি আরবের সঙ্গে যে সীমান্ত রয়েছে কাতারের, সেটাই একমাত্র স্থল পথে যোগাযোগের মাধ্যম। তাদের নির্ভর করতে হয় সমূদ্র বন্দর এবং আকাশ পথের ওপর। কিন্তু সমূদ্রে ও আকাশ পথে অবরোধের কারণে তাদের গর্বের এয়ারলাইন্স কাতার এয়ারওয়েজ প্রায় বন্ধ হওয়ার পথে।

কাতার বিশ্বকাপ আয়োজনের সঙ্গে জড়িত উচ্চপর্যায়ের কমিটি এখনও এ বিষয়ে কোনো উদ্বেগ প্রকাশ করেনি সত্য। তবে, স্থানীয়দের বক্তব্য অনুসারে জানা যাচ্ছে, ২০১০ সালে কাতার বিশ্বকাপ আয়োজনের মেন্ডেট লাভ করার পর যে সঙ্কটের মধ্যে দিয়ে এগিয়েছে, এবারের সঙ্কট তার চেয়েও অনেক বড়।

প্রচুর গরমের কারণে বিশ্বকাপকে শীতকালে নিয়ে আসা কিংবা আয়োজক হওয়ার লড়াইয়ে জেতার ক্ষেত্রে দুর্নীতির যে অভিযোগ উঠেছে, সবগুলোকে পেছনে ফেলে সফলভাবে আয়োজনের প্রস্তুতি নিয়ে আসছিল কাতার কতৃপক্ষ; কিন্তু হঠাৎ এই রাজনৈতিক সঙ্কটের কারণে শঙ্কার মধ্যে পড়ে গিয়েছে বিশ্বকাপের আয়োজন।

এ পরিস্থিতিতে কাতারের বিশ্বকাপ আয়োজক কর্তৃপক্ষের নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। পরিস্থিতির ওপরও নজর রাখছে ফিফা। তবে সঙ্কট উত্তরণে কী করনীয় এসব বিষয়ে কাতারকে সরাসরি কোনো পরমর্শ কিংবা অন্য কাউকে কিছু বলছে না ফিফা।

আইএইচএস/আরআইপি

আরও পড়ুন