ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. তথ্যপ্রযুক্তি

শেষ হলো ডিজিটাল ডিভাইস এক্সপো, ভবিষ্যতে আরও বড় আয়োজনের প্রত্যাশা

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ০৮:০৩ পিএম, ৩১ জানুয়ারি ২০২৬

চারদিনের জমজমাট আয়োজনের মধ্যদিয়ে শেষ হলো ডিজিটাল ডিভাইস ও ইনোভেশন এক্সপো ২০২৬। আগামীতে আরও বড় আকারে এই মেলা আয়োজনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন আয়োজকরা। তারা বলছেন, বেচাকেনা ও দর্শনার্থীর উপস্থিতি–দুটো নিয়েই তারা সন্তুষ্ট। ভবিষ্যতে এ ধরনের আয়োজনে আরও সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়ার আগ্রহও প্রকাশ করেছেন অংশগ্রহণকারীরা।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) ছিল এই মেলার শেষ দিন। এদিন, সকাল থেকেই মেলা প্রাঙ্গণে দর্শনার্থীদের ভিড় লক্ষ করা যায়। দুপুরের পর থেকে বিকেল পর্যন্ত মেলা ছিল উপচেপড়া দর্শকে পরিপূর্ণ। সন্ধ্যার পর কোনো স্টল কিংবা প্যাভিলিয়নে ফাঁকা জায়গা চোখে পড়েনি। এবারের মেলায় প্রায় অর্ধলক্ষাধিক দর্শনার্থী নিবন্ধন করে প্রবেশ করেছেন।

বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির (বিসিএস) মহাসচিব ও ডিজিটাল ডিভাইস ও ইনোভেশন এক্সপো ২০২৬ এর আহ্বায়ক মুহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন, আইসিটি বিভাগের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ২০১৬ সাল থেকে নিয়মিত ডিজিটাল ডিভাইস ও ইনোভেশন এক্সপো আয়োজন করা হচ্ছে। এই মেলায় আইসিটি বিভাগের আর্থিক সহায়তা থাকে।

jagonews24

তিনি বলেন, মেলার পরিকল্পনার শুরুতেই আইসিটি বিভাগ প্রদর্শনীটি কেমন হবে তা দেখতে চায়। সে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হয়েছে এবং সেই অনুযায়ী পুরো আয়োজন সাজানো হয়।

মনিরুল ইসলাম আরও বলেন, মেলা নিয়ে আইসিটি বিভাগের সবার মুখে আমরা হাসি দেখেছি-এটাই আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। এটাই আমাদের সাফল্য।

এদিক মেলা পরিদর্শন করে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব, আইসিটি সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী, বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মামুনুর রশীদ ভূঞা এবং আইসিটি বিভাগের যুগ্ম সচিব সাইফুল হাসান-সবাই মেলার সার্বিক আয়োজন নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বলে জানান তিনি।

ডিজিটাল ডিভাইস ও ইনোভেশন এক্সপোর আহ্বায়ক জানান, মেলা চলাকালে তিনি অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলেছেন। এসব আলোচনায় জানা গেছে, ব্যবসায়ীরা শুধু মেলায় পণ্য বিক্রির মাধ্যমেই সন্তুষ্ট নন; বরং ব্র্যান্ডিং ও মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রেও তারা উল্লেখযোগ্য সুফল পেয়েছেন। অনেক প্রতিষ্ঠান এই মেলাকে নিজেদের পণ্য ও ব্র্যান্ড পরিচিতি তুলে ধরার একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে দেখছেন।

দর্শনার্থীদের উপস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পুরো প্রদর্শনীতে প্রায় তিন লাখ দর্শনার্থীর সমাগম হয়েছে। শুরুতে তিন লাখ দর্শনার্থী মেলায় আসবে-এমন প্রত্যাশা ছিল। যদিও পুরোপুরি সেই লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি, তবে সংখ্যাটি প্রত্যাশার খুব কাছাকাছি পৌঁছেছে বলে তিনি মনে করেন।

ইএইচটি/ইএ