দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন
২০২৩ সালের শেষ কিংবা ২০২৪ সালের শুরুতে বাংলাদেশের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তবে ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে নির্বাচন অনুষ্ঠান ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রত্যাশা। ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই নির্বাচনে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশভাবে জয়লাভ করে সরকার গঠন করে। নির্বাচনে দ্বিতীয় স্থান লাভ করে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট এবং এককভাবে নির্বাচনে তৃতীয় স্থান লাভ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। তবে এই নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে এবং নির্বাচনের ফলাফল ছিল সম্পূর্ণ এক পাক্ষিক। তখন থেকে বিএনপি সহ বিরোধীরা ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে পুননির্বাচনের দাবি তুলেন।বিএনপির ঘোষণা অনুযায়ী দলীয় সরকারের অধীনে তারা আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অংশগ্রহণ করবে না
-
নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি: মন্ত্রিপরিষদ সচিব
-
নাহিদ-হাসনাতসহ ৬ আসনে জয়ী এনসিপি
-
খুলনা-৬ আসনে বিজয়ী জামায়াতের প্রার্থী
-
বগুড়ায় দুপুর ১২টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৩৮.৫৫ শতাংশ
-
জকসু নির্বাচনের খসড়া ভোটার তালিকা ত্রুটিপূর্ণ-ভুলে ভরা
-
রাকসু নির্বাচন
ছাত্রদল-শিবিরের ভিপি প্রার্থীর কোলাকুলি, একসঙ্গে কাজের প্রত্যয়
-
রাকসু নির্বাচনের প্রচারণার শেষ দিনে উৎসবমুখর ক্যাম্পাস
-
চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩
বিএনপিতে গ্রুপিং-কোন্দল, মাঠে ছুটছেন জামায়াতের বুলবুল
-
প্রতিবেদন
দেশে বছরজুড়ে রাজনৈতিক সহিংসতায় ১১৮০ প্রাণহানি
-
স্পিকারের পদত্যাগে কি সাংবিধানিক সংকট হবে?
-
২০২৪ সালের নির্বাচন একদলীয় ছিল, স্বীকার করলেন বিদায়ী সিইসি
-
ইশরাকের রিমান্ড শুনানি ২৩ জুলাই
-
দলগুলোকে সংলাপে বসে সংকট নিরসন করতে হবে: সিইসি
-
আনারের মৃত্যু আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হলে আসন শূন্য ঘোষণা
-
মাঠে নামছে ১৪ দল!
-
সংসদে অংশগ্রহণ বাড়াতে বিশেষ আইন চান নারী এমপিরা
-
ইশরাকের রিমান্ড শুনানি ১৩ জুন
-
টিআইবি
সংসদ ভোটে প্রার্থী ও দলের ব্যয় প্রকাশে ইসির ব্যর্থতা হতাশাজনক
-
ভোট বর্জন
বিএনপি-জামায়াত এক পথে, চোখ ভবিষ্যতের আন্দোলনে
-
আত্মীয়দের দাপটে ক্ষতিগ্রস্ত রাজনৈতিক দলের শৃঙ্খলা