প্রায় ১৭ বছর আগের কথা। ২০০৯ সালে চ্যানেল আইয়ে প্রচারিত হয় জনপ্রিয় ধারাবাহিক নাটক ‘সাকিন সারিসুরি’। সেখানে অভিনয় করেছিলেন চঞ্চল চৌধুরী। পুবাইলে চটের আগা গ্রামে ‘সাকিন সারিসুরি’ নাটকের শুটিং হয়েছিল। শুটিংয়ের ফাঁকে আড্ডা ও গল্পে কেটে যেত তাদের সুন্দর সময়।
দীর্ঘদিন পর নাটকটির শুটিংয়ের সেই গ্রামে গিয়ে আবেগী হয়ে পড়েন এই অভিনেতা। ফেসবুকে শেয়ার করেছেন তার অনুভূতি।
চঞ্চল লিখেছেন, ‘এই সেই সাকিন সারিসুরি গ্রাম। কত বছরের স্মৃতি বিজড়িত….। কত কত মুহূর্তের সাক্ষী এই গ্রাম। বহুদিন পর গতকাল হঠাৎ করেই বন্ধু মোশাররফের সাথে দেখা হয়ে গেল এই গ্রামের মেঠো পথে।’আরও পড়ুনমাথায় মুকুট ও শহীদ হাদির কবরের মাটি নিয়ে সংসদে যাবেন মেঘনা আলমজ্যাম কিংবা জায়েদ খানের বালিশ নয়, শবনম ফারিয়ার কষ্ট ঢাকা-৮ আসন
বৃন্দাবন দাসের রচনায় সকাল আহমেদের পরিচালনায় ‘বিশ্বাস বনাম সরদার’ নাটকের শুটিং করতেই সেই গ্রামে গেছেন চঞ্চল চৌধুরী। নাটকটি নিয়ে তিনি লিখেছেন, ‘নাটকের শুটিং চলাকালে হঠাৎ দেখলাম মোশাররফ মেঠো পথে হাঁটছে। যথারীতি বহুদিন পর আমাদের দেখা হলেই দুজন দুজনকে ‘মামা’ বলে জড়িয়ে ধরি। কিছুক্ষন কুশল বিনিময়ের পরই সকাল বললো, ‘আয় একটা ছবি তুলে স্মৃতিটা ধরে রাখি।’
চঞ্চল লেখেন, ‘কত স্মৃতি এখানে। সাক্ষী ছিলেন কত মানুষ! লাভলু ভাই, বৃন্দাবন দা, খুশি, আ খ ম হাসান, রওনক, সাজু, আরও কতজন। আবার কতজনকে তো হারিয়ে ফেলেছি চিরতরে। আহারে জীবন! আহারে সাকিন সারিসুরি!!!’
জাপান ডাক্তার চরিত্রের সাজে চঞ্চল চৌধুরী
‘সাকিন সারিসুরি’ নাটকের একটি চরিত্র ছিল ‘জাপান ডাক্তার’। সেই চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন চঞ্চল চৌধুরী। নাটকটির ওই চরিত্রের সুবাদে অনেক ভক্ত আজও তাকে জাপান ডাক্তার বলেই ডাকেন। শুধু বাংলাদেশ নয়, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দর্শকের কাছেও জনপ্রিয় এই নাটকটি।
এমআই/এলআইএ