ক্ষমতায় গেলে রোহিঙ্গা সংকটের শান্তিপূর্ণ ও টেকসই সমাধান এবং রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করা হবে বলে নির্বাচনি ইশতেহারে জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর হোটেল শেরাটনে আয়োজিত নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে এ কথা জানায় জামায়াত।
ক্ষমতায় গেলে পররাষ্ট্রনীতি কী হবে—এ সম্পর্কে জামায়াত জানিয়েছে, বিশ্বে বাংলাদেশ ও বাংলাদেশিদের মর্যাদা বাড়ানোর চেষ্টার পাশাপাশি বাংলাদেশি পাসপোর্টের মর্যাদা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখার কথা উল্লেখ করা হয় ইশতেহারে। জামায়াত জানায়, ক্ষমতায় গেলে ভারত, ভুটান, নেপাল, মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ ও থাইল্যান্ডসহ প্রতিবেশী ও নিকট প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে পারস্পরিক সম্মান ও ন্যায্যতার ভিত্তিতে শান্তি, বন্ধুত্ব ও সহযোগিতামূলক সম্পর্ক গড়ে তোলা হবে।
মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে সম্পর্ক অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে বাড়ানোর পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জাপান, কানাডাসহ উন্নত বিশ্বের দেশগুলোর সঙ্গে গঠনমূলক সম্পর্ক তৈরি করা হবে বলেও জানিয়েছে জামায়াত।
এছাড়া পূর্ব ইউরোপ, আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক সম্প্রসারণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানায় দলটি।
ক্ষমতায় গেলে জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সংস্থায় সক্রিয় সম্পৃক্ততা তৈরি করা হবে বলেও জানানো হয় জামায়াতের নির্বাচনি ইশতেহারে। বলা হয়, শান্তি, নিরাপত্তা, মানবাধিকার এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের মতো বৈশ্বিক বিষয়গুলো মোকাবিলায় জাতিসংঘ এবং এর সহযোগী সংস্থাগুলোতে বাংলাদেশের সক্রিয় অংশগ্রহণ আরও জোরদার করা হবে।
এছাড়া সার্ক, আসিয়ানের মতো আঞ্চলিক সংস্থাগুলোতে বাংলাদেশের সক্রিয় অংশগ্রহণ অব্যাহত রাখা হবে।
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা বাহিনীতে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ অব্যাহত রাখা হবে বলেও উল্লেখ করা হয় ইশতেহারে। পাশাপাশি বৈধ ও স্বচ্ছ অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ সমর্থন এবং সহযোগিতা করবে বলেও জানায় জামায়াত।
আরএএস/এমকেআর