নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণার সময় শেষ হয়েছে। ফলে বহুল কাঙ্ক্ষিত ভোটের লড়াই এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। তবে নারায়ণগঞ্জ-৩ (সিদ্ধিরগঞ্জ-সোনারগাঁ) আসনে ১১ জন প্রার্থীর মধ্যে লড়াই হবে মূলত বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও দুই হেভিওয়েট স্বতন্ত্র প্রার্থীর মধ্যে।
তবে ভোটাররা বলছেন, এই আসনে বিএনপি ধানের শীষ প্রতীকে মনোনয়ন দিলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী রেজাউল করিম ও সাবেক এমপি মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন। ফলে ভাগ হয়ে যাবে বিএনপির ভোট। এই সুযোগে প্রথমবারের মতো বাজিমাত করতে চায় জামায়াতে ইসলামী।
নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের প্রার্থীরা হলেন ধানের শীষের আজহারুল ইসলাম মান্নান, জামায়াতে ইসলামীর ইকবাল হোসেন ভূঁইয়া, স্বতন্ত্ররেজাউল করিম (ঘোড়া) ও মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন (ফুটবল), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের গোলাম মসীহ (হাতপাখা), খেলাফত মজলিসের শাহজাহান (রিকশা), গণসংহতি আন্দোলনের অঞ্জন দাস (মাথাল), গণঅধিকার পরিষদের ওয়াহিদুর রহমান মিল্কী (ট্রাক), জনতার দলের আব্দুল করীম মুন্সি (কলম), বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলননের আতিকুর রহমান নান্নু মুন্সী (বটগাছ) এবং এবি পার্টির আরিফুল ইসলাম (ঈগল)। আসনটিতে মোট ভোটার পাঁচ লাখ ৮৬ হাজার ৭৭৩ জন।
ভোটার সানজিদা আক্তার শোভা জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমি প্রথমবারের মতো ভোটে দেবো। তবে ছাত্রদের মধ্য থেকে যেহেতু কোনো প্রার্থী নেই, তাই ছাত্রদের সমর্থকদের ভোট দেবো।’
রোমান আহমেদ নামের আরেক যুবক বলেন, ‘প্রার্থীদের মধ্যে গিয়াসউদ্দিন, রেজাউল করিম, মান্নান আর ইকবাল হোসেন আমাদের চেনা। এবার আমরা যোগ্য এবং সৎ মানুষকে ভোট দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ইকবাল হোসেন ভূঁইয়া জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমরা মানুষের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ দেখছি। ইনশাআল্লাহ আমি বিজয়ী হবো।’
স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন বলেন, ‘আমি মাঠে কাজ করছি। ভোটাররা আমাকে ব্যাপক সাড়া দিচ্ছেন। আল্লাহ তায়ালা যদি চান আমি নির্বাচিত হবো।’
এ বিষয়ে জানতে বিএনপি মনোনীত আজহারুল ইসলাম মান্নান এবং স্বতন্ত্র রেজাউল করিমের সঙ্গে ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের পাওয়া যায়নি।
মো. আকাশ/এসআর/এএসএম