বিবিধ

জনআস্থার রায় ও নেতৃত্বের পরীক্ষা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির ভূমিধস বিজয় বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি তাৎপর্যপূর্ণ বাঁকবদল। ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, ১৯৭০ সালের নির্বাচন রাষ্ট্র জন্মের পথ খুলে দিয়েছিল, ১৯৯১ সালের নির্বাচন সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছিল। ২০২৬ এর প্রেক্ষাপটে এই নির্বাচনও তেমনই এক সন্ধিক্ষণ, কারণ এটি কেবল সরকার পরিবর্তনের ঘটনা নয়, বরং রাজনৈতিক আস্থা পুনর্বণ্টনের মুহূর্ত।

জনগণ বিপুল সমর্থন দিয়ে একটি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে: তারা স্থিতিশীলতা, শাসন-দক্ষতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক পুনর্গঠন চায়। এই প্রেক্ষাপটে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সামনে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো এই আস্থাকে তিনি কতটা কাঠামোগত সাফল্যে রূপ দিতে পারবেন?

এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হলে তার রাজনৈতিক প্রস্তুতির ধারাবাহিকতা বিবেচনা করা প্রয়োজন। নব্বইয়ের দশকে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনরায় চালু হওয়ার পর থেকেই তিনি রাষ্ট্র পরিচালনার প্রক্রিয়া ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। ২০০১-২০০৬ মেয়াদে বিএনপি সরকারের সময় প্রশাসন, উন্নয়ন ব্যবস্থাপনা এবং জোট রাজনীতির জটিল বাস্তবতা তার সামনে উন্মোচিত হয়। ওই সময় বাংলাদেশে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৫ থেকে ৬ শতাংশের মধ্যে স্থিতিশীল ছিল, তৈরি পোশাক রপ্তানি দ্রুত বাড়ছিল এবং প্রবাসী আয়ের প্রবাহ অর্থনীতিকে শক্তি জোগাচ্ছিল। এই বাস্তবতা তাকে অর্থনৈতিক আধুনিকায়ন, অবকাঠামো উন্নয়ন ও বিকেন্দ্রীকরণের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সচেতন করে।

তবে তার রাজনৈতিক বিকাশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় সম্ভবত ১৭ বছরের যুক্তরাজ্যে নির্বাসিত জীবনের অভিজ্ঞতা। একটি পরিণত সংসদীয় গণতন্ত্রে বসবাসের মাধ্যমে তিনি প্রত্যক্ষ করেন কীভাবে সরকার পরিবর্তিত হলেও প্রতিষ্ঠান অটুট থাকে। ব্রিটিশ সংসদীয় কমিটি পদ্ধতি, স্বাধীন সিভিল সার্ভিস, স্থানীয় সরকারের আর্থিক স্বায়ত্তশাসন এবং আইনের নিরপেক্ষ প্রয়োগ, এসবই একটি স্থিতিশীল রাষ্ট্র কাঠামোর ভিত্তি। যুক্তরাজ্যে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে ডেটানির্ভর নীতি, সংসদীয় জবাবদিহি এবং জনসেবার মানোন্নয়ন তার রাজনৈতিক চিন্তাকে প্রভাবিত করেছে।

২৫ ডিসেম্বর ২০২৫ তার প্রত্যাবর্তন তাই কেবল প্রতীকী নয়; এটি একটি প্রস্তুত নেতৃত্বের আত্মপ্রকাশের মুহূর্ত। সেই দিন তার বক্তব্যে প্রতিহিংসার চেয়ে দায়িত্ব, প্রতিশোধের চেয়ে প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের আহ্বান বেশি ছিল। বিপুল জনসমাগম তার জনপ্রিয়তার সাক্ষ্য দিলেও, প্রকৃত বার্তা ছিল এই আস্থা যেন প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতায় রূপ পায়। কারণ ইতিহাসে বহু নেতা জনসমর্থন পেয়েছেন, কিন্তু টিকে থেকেছেন তারা, যারা প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করেছেন।

এই প্রাতিষ্ঠানিক শক্তির প্রথম শর্ত রাজনৈতিক বৈধতা সুসংহত করা। সংখ্যাগরিষ্ঠতা আইনি ভিত্তি দেয়, কিন্তু নৈতিক বৈধতা আসে অন্তর্ভুক্তিমূলক আচরণ থেকে। সংসদকে কার্যকর করা, বিরোধী দলকে আলোচনায় সম্পৃক্ত করা এবং গুরুত্বপূর্ণ নীতিতে সর্বদলীয় কমিটি গঠন করা। এসব পদক্ষেপ রাজনৈতিক উত্তাপ কমাতে পারে। অতীত অভিজ্ঞতা বলছে, যখন সংসদ দুর্বল হয়, তখন রাজপথ শক্তিশালী হয়। তাই নতুন সরকারকে সংসদকেন্দ্রিক শাসনব্যবস্থা পুনরুদ্ধার করতে হবে। রাজনৈতিক স্থিতির পরপরই সামনে আসে অর্থনৈতিক বাস্তবতা।

বর্তমানে মূল্যস্ফীতি জনজীবনে চাপ সৃষ্টি করছে; ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের হার উদ্বেগজনক; বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ওঠানামা অর্থনীতিকে অস্থির করছে। বাংলাদেশের প্রায় অর্ধেক জনসংখ্যা ৩০ বছরের নিচে, এই বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠীর জন্য কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা এখন জাতীয় অগ্রাধিকার। প্রযুক্তি খাত, স্টার্টআপ, কৃষি-প্রসেসিং শিল্প, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, এসব খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে ব্যবসায়িক পরিবেশে রেড-টেপ কমানো এবং নীতি স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা জরুরি। জনগণের ক্রয়ক্ষমতা ও কর্মসংস্থান যদি উন্নত না হয়, তবে রাজনৈতিক সমর্থন দ্রুত ক্ষয়ে যাবে।

অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত আইনশৃঙ্খলা প্রশ্ন। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজবের বিস্তার এবং তার ফলে মব-সংস্কৃতির উত্থান উদ্বেগজনক মাত্রায় পৌঁছেছে। একটি যাচাইহীন পোস্ট কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সহিংসতায় রূপ নিচ্ছে। এটি কেবল আইনশৃঙ্খলার সংকট নয়; এটি রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্বের পরীক্ষাও।

সরকারের উচিত একটি পেশাদার ডিজিটাল রেসপন্স সেল গঠন করা, যা দ্রুত তথ্য যাচাই করে সত্য প্রকাশ করবে। পাশাপাশি আইন প্রয়োগে দল-মত নির্বিশেষে কঠোরতা দেখাতে হবে। বিচার হবে আদালতে, এই নীতি কার্যকরভাবে প্রতিষ্ঠা না হলে রাষ্ট্রের প্রতি আস্থা ক্ষয় হবে। এই প্রসঙ্গে দলীয় শৃঙ্খলাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। ক্ষমতার পরিবর্তনের সময় তৃণমূল পর্যায়ে প্রভাব বিস্তারের প্রবণতা দেখা যায়। যদি চাঁদাবাজি বা অনিয়মের অভিযোগ থেকে যায়, তবে সরকারের নৈতিক অবস্থান দুর্বল হবে। তারেক রহমানের জন্য এখানে বড় পরীক্ষা হলো নিজ দলের ভেতরে আইনের শাসন নিশ্চিত করা। আইনের সামনে দলীয় পরিচয় যেন প্রাধান্য না পায়, এই বার্তাটি স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন।

প্রাতিষ্ঠানিক রাষ্ট্র নির্মাণের আরেকটি মৌলিক স্তম্ভ হলো প্রশাসনিক ও বিচারিক সংস্কার। বাংলাদেশে প্রশাসনিক কাঠামো ঐতিহাসিকভাবে কেন্দ্রীভূত এবং অনেকাংশে আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় আবদ্ধ। এর ফলে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ধীর হয়, জবাবদিহি দুর্বল থাকে এবং নাগরিক সেবায় অদক্ষতা তৈরি হয়। নতুন সরকারের উচিত প্রশাসনে মেধাভিত্তিক নিয়োগ ও পদোন্নতি নিশ্চিত করা, কর্মদক্ষতার ভিত্তিতে মূল্যায়ন পদ্ধতি চালু করা এবং ডিজিটাল গভর্ন্যান্স সম্প্রসারণ করা।

ই-গভর্ন্যান্স ব্যবস্থার মাধ্যমে লাইসেন্স, ভূমি রেকর্ড, কর প্রদান, সরকারি ক্রয় প্রক্রিয়া, এসব ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও সময়সীমা নির্ধারণ করা গেলে দুর্নীতি কমবে এবং ব্যবসা-বাণিজ্যে আস্থা বাড়বে। একইভাবে বিচারব্যবস্থায় দীর্ঘসূত্রিতা একটি বড় সমস্যা। লক্ষাধিক মামলা বছরের পর বছর ঝুলে থাকে। বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি পদ্ধতি, ই-কোর্ট ব্যবস্থা, এবং বিচারকদের সংখ্যা বৃদ্ধি, এসব পদক্ষেপ বিচারপ্রাপ্তিকে দ্রুততর করতে পারে। দুর্নীতি দমন কমিশন ও অন্যান্য নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে কার্যকর ও রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করতে না পারলে সংস্কারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবে ফল দেবে না। প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী না করে ব্যক্তি-নির্ভর শাসন দীর্ঘমেয়াদে টেকসই হয় না, এই সত্যটি নতুন সরকারকে উপলব্ধি করতে হবে।

প্রশাসনিক সংস্কারের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্র গঠনের প্রশ্ন। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়, আদিবাসী জনগোষ্ঠী, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করা কেবল নৈতিক দায়িত্ব নয়, বরং রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতার শর্ত। বাংলাদেশ ঐতিহাসিকভাবে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উদাহরণ বহন করলেও সময় সময় বিচ্ছিন্ন সহিংসতা আস্থাকে ক্ষুণ্ন করেছে। নতুন সরকারের উচিত দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানাতে সক্ষম বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করা, যাতে গুজব বা উসকানির ভিত্তিতে কোনো হামলা সংঘটিত হওয়ার আগেই তা প্রতিহত করা যায়।

একই সঙ্গে নারীদের জনপরিসরে নিরাপদ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। কর্মক্ষেত্র, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, গণপরিবহন এবং অনলাইন পরিসরে নিরাপত্তা ও আইনি সুরক্ষা জোরদার করতে হবে। সাইবার হয়রানি প্রতিরোধে প্রযুক্তিনির্ভর মনিটরিং এবং দ্রুত বিচার প্রক্রিয়া চালু করা গেলে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়বে। একটি রাষ্ট্র তখনই পরিণত বলে বিবেচিত হয়, যখন দুর্বলতম নাগরিকও নিজেকে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ মনে করে।

দীর্ঘমেয়াদে শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন হবে রাষ্ট্রের প্রকৃত শক্তির উৎস। বর্তমানে বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ হলো শিক্ষার পরিমাণ বাড়লেও মানের প্রশ্নে ঘাটতি রয়ে গেছে। প্রাথমিক পর্যায়ে ভাষা ও গণিত দক্ষতা, মাধ্যমিকে সমালোচনামূলক চিন্তাশক্তি, এবং উচ্চশিক্ষায় গবেষণা সক্ষমতা জোরদার করা প্রয়োজন।

কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষাকে সামাজিক মর্যাদা দিতে হবে, যাতে শ্রমবাজারের চাহিদা ও শিক্ষার সরবরাহের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি হয়। চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডেটা অ্যানালিটিক্স, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনে দক্ষ জনশক্তি তৈরি না করলে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়বে। গবেষণা ও উদ্ভাবনে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব বাড়ানো, বিশ্ববিদ্যালয়-শিল্পখাত সংযোগ জোরদার করা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি গঠনে সহায়ক হবে। শিক্ষা সংস্কার দৃশ্যমান ফল দিতে সময় নেয়, কিন্তু এর প্রভাব প্রজন্মব্যাপী থাকে।

সবশেষে আন্তর্জাতিক পরিসরে ভারসাম্যপূর্ণ ও কৌশলগত কূটনীতি নতুন সরকারের সাফল্যের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হবে। বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একটি কৌশলগত অবস্থানে অবস্থিত; ভারত, চীন, যুক্তরাষ্ট্র এবং আঞ্চলিক শক্তিগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক রক্ষায় সূক্ষ্ম ভারসাম্য প্রয়োজন। অবকাঠামো উন্নয়ন, বাণিজ্য, প্রযুক্তি সহযোগিতা এবং জলবায়ু তহবিল, এসব ক্ষেত্রে বহুপাক্ষিক কূটনীতি জোরদার করতে হবে।

একই সঙ্গে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবদানকে কৌশলগতভাবে কাজে লাগানো যেতে পারে। অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা, আইনের শাসন ও প্রাতিষ্ঠানিক শক্তি আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধি করে। অর্থাৎ অভ্যন্তরীণ সংস্কার ও বৈদেশিক নীতির মধ্যে একটি সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর বাংলাদেশ এক ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। এই মুহূর্তে প্রস্তুত নেতৃত্ব, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্রচিন্তা যদি সমন্বিতভাবে বাস্তবায়িত হয়, তবে একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে পারে।

তারেক রহমানের সামনে সুযোগ যেমন ব্যাপক, দায়ও তেমনি গভীর। কারণ ইতিহাস শেষ পর্যন্ত জনপ্রিয়তার মাপকাঠিতে নয়, প্রতিষ্ঠানের শক্তি ও নাগরিকের আস্থার ভিত্তিতেই নেতৃত্বকে বিচার করে। ক্ষমতার পালাবদল তুলনামূলকভাবে সহজ; কিন্তু দায়িত্বের পুনর্জন্ম অনেক কঠিন। এই নির্বাচনের পর বাংলাদেশ এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে বিভেদের রাজনীতি থেকে ঐক্যের রাজনীতিতে উত্তরণ সম্ভব। নতুন সরকার যদি আইনকে সর্বোচ্চ মানদণ্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে, বিরোধী মতকে গণতান্ত্রিক পরিসরে সম্মানজনক স্থান দেয় এবং নাগরিকের আস্থাকে শাসনের মূলধন হিসেবে বিবেচনা করে তবে এই বিজয় কেবল রাজনৈতিক সাফল্য হয়ে থাকবে না; এটি দায়িত্বশীল নেতৃত্বের এক নতুন সূচনায় পরিণত হবে। রাষ্ট্র তখনই পরিপূর্ণতা অর্জন করে, যখন ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে ব্যক্তি নয়, মানুষ থাকে। বাংলাদেশের নতুন অধ্যায়ে সেই পরীক্ষাই এখন শুরু, জনআস্থাকে প্রতিষ্ঠানগত শক্তিতে রূপ দেওয়ার পরীক্ষা, এবং নেতৃত্বকে ইতিহাসের মানদণ্ডে উত্তীর্ণ করার পরীক্ষা।

লেখকড. মো. হাছান উদ্দীন অধ্যাপক, ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগ পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালীhasan14860@pstu.ac.bd

জেএইচ/জেআইএম