অন্তর্বর্তীকালীন সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পালনকালে কোথায় সফল বা ব্যর্থ হয়েছে—সে ‘বিচারের ভার জনগণের ওপর’ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
নির্বাচিত সরকারের হাতে দায়িত্ব অর্পণের আগে সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাত জাতির উদ্দেশে দেওয়া বিদায়ী ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমি ও আমার সহকর্মীরা—সবাই আমরা সেই অঙ্গীকার রক্ষার চেষ্টা করে গেছি। কোথায় কতটুকু সাফল্য অর্জন করতে পেরেছি, কোথায় ব্যর্থ হয়েছি—সে বিচারের ভার আপনাদের (জনগণের) ওপর থাকলো।
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশের বিশেষ ক্রান্তিলগ্নে অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্রনেতাদের আহ্বানে তিনি ২০২৪ সালের ৮ অগাস্ট অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব নেন বলে আবারও উল্লেখ করেন।
বিদায়ী ভাষণে দল-মত, ধর্ম-বর্ণ, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবাইকে একটি ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার সংগ্রাম অব্যাহত রাখতে আহ্বান জানান ড. ইউনূস।
তিনি বলেন, বলেছেন, সাম্প্রতিক জাতীয় নির্বাচন কেবল ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া নয়, বরং বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার নতুন অভিযাত্রার সূচনা।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর পর অনুষ্ঠিত উৎসবমুখর, অংশগ্রহণমূলক ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন ভবিষ্যতের জন্য একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ হয়ে থাকবে। বিজয়ী ও পরাজিত সব প্রার্থীকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, হার-জিতই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য।
সংস্কার, বিচার ও নির্বাচন—এ তিনটি দায়িত্ব পালনে সরকার কাজ করেছে জানিয়ে কোথায় কতটুকু সাফল্য বা ব্যর্থতা হয়েছে, সে বিচারের ভার জনগণের ওপর ছেড়ে দেন তিনি।
এমইউ/এমকেআর