ক্যাম্পাস

ট্রেনিং সেশন আয়োজন নিয়ে প্রশাসনের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ জকসুর

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘জবি এক্সপ্রেস’ বাস অ্যাপস বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ড্রাইভারদের নিয়ে একটি ট্রেনিং সেশন আয়োজনের কথা ছিল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নেতাদের। তবে, একে কেন্দ্র করে প্রশাসনের অনুমতির নামে লুকোচুরির অভিযোগ উঠেছে। জকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য মেহেদী হাসান দাবি করেছেন, প্রশাসনিক সমন্বয়ের অভাবে একটি সাধারণ ট্রেনিং আয়োজন করতে গিয়ে তাকে কয়েক দফা আবেদন ও দৌড়ঝাঁপ করতে হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রয়ারি) তার একটি ফেসবুক পোস্ট থেকে বাস পরিচালক, রেজিস্ট্রার, পরিবহন অফিসের ডেপুটি রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে বাস নিয়ে ট্রেনিংয়ের অনুমতির নামে এক দীর্ঘ ভোগান্তির শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেন।

পোস্ট থেকে জানা যায়, মঙ্গলবার সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসচালকদের নিয়ে একটি ট্রেনিং সেশনের পরিকল্পনা ছিল। আয়োজক হিসেবে জকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য মো. মেহেদী হাসান আগের দিন পরিবহন প্রশাসক তারেক বিন আতিকের সঙ্গে দেখা করে মৌখিকভাবে অনুমতির বিষয়ে আলোচনা করেন। তার দাবি, তখন তাকে জানানো হয় যে, জকসুর প্রতিনিধি হিসেবে তিনি প্রোগ্রাম আয়োজন করতে পারেন এবং আলাদা অনুমতির প্রয়োজন নেই।

পরদিন বুধবার সকালে বাসচালকদের আমন্ত্রণ জানালে তারা জানান, পরিবহন অফিস থেকে আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা না পেলে তারা অংশ নিতে পারবেন না। এ বিষয়ে পরিবহন অফিসে যোগাযোগ করলে সেখানকার ডেপুটি রেজিস্ট্রার অপূর্ব কুমার সাহা বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন বলে জানান। পরে পরিবহন প্রশাসকের সঙ্গে যোগাযোগ করলে রেজিস্ট্রার ও ট্রেজারার বরাবর লিখিত আবেদন নেওয়ার কথা বলা হয়।

এরপর জকসু প্রতিনিধিরা রেজিস্ট্রার বরাবর আবেদন জমা দেন। অভিযোগ অনুযায়ী, সেখান থেকে আবার উপাচার্য বরাবর আবেদন করে সুপারিশ নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। অবশেষে উপাচার্যের অনুমোদন নেওয়ার পর পুনরায় রেজিস্ট্রার দপ্তরে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।

এ বিষয়ে মো. মেহেদী হাসান বলেন, রোজা রেখে একটি ট্রেনিং সেশনের অনুমতির জন্য প্রায় দুই ঘণ্টা দৌড়ঝাঁপ করতে হয়েছে। প্রশাসনিক সহযোগিতা আরও সহজ ও সমন্বিত হওয়া উচিত।

টিএইচকিউ/এএমএ