বিনোদন

পরিচয় করিয়ে দিই, আমার স্বামীর নাম... (রাশমিকার বিয়ের ছবি)

বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় ইনস্টাগ্রামে হঠাৎ একগুচ্ছ ছবি। দক্ষিণ ভারতীয় অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা সেখানে লিখেছেন, ‘পরিচয় করিয়ে দিই, আমার স্বামীর নাম মিস্টার বিজয় দেবারাকোন্ডা!!’ তারপর আদর-ভালোবাসা-অনুপ্রেরণার এক দীর্ঘ পোস্ট। বিয়ে হয়েই গেল দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্রের দুই সুপারস্টারের।

লালে লালে সেজেছিলেন রাশমিকা ও বিজয়। উজ্জ্বল লাল শাড়ি, কাজ করা জমকালো ব্লাউজে পরেছিলেন রাশমিকা। মাথায় ছিল সোনার টায়রা। বিজয়ের পরনে সাদা ধুতি ও লাল রঙের উত্তরীয়, সঙ্গে সোনার ভারী গয়না।

রাশমিকার গালে দেখা গেল একটি কালো তিলক। তেলুগু সাংস্কৃতিক আচার মেনে বিয়ে করেছেন তারা। শোনা যায়, দক্ষিণী বিয়েতে কুনজর থেকে বাঁচাতে কনের গালে নকল তিল আঁকা হয়।

রাশমিকার পোস্ট করা ছবিতে দেখা যাচ্ছে বিজয়ের নাকে চুমু খাচ্ছেন রাশমিকা। অন্য এক সাদাকালো ছবিতে দেখা যায়, ঘোড়ায় চড়ে বিয়ের আসরে ঢুকছেন বিজয়।

ডুবে ডুবে জল খাচ্ছিলেন রাশমিকা ও বিজয়। কখনও সরাসরি রাশমিকাকে নিয়ে মুখ খোলেননি প্রেমিক বিজয়। বিয়ের দিন মনের কথা উজাড় করে দিয়েছেন তিনি। ছবিগুলি শেয়ার করে লিখেছেন, ‘একদিন আমার ওকে খুব মনে পড়ছিল। এতই মনে পড়ছিল, বুঝেছিলাম, ও আশপাশে থাকলে খুব ভাল লাগে। ও পাশে বসে থাকলে আমার খাওয়া-দাওয়ার পর্ব যেন আরও সুন্দর হয়ে ওঠে। ও আমার সঙ্গে জিমে থাকলে আমার কম কষ্ট হয় এবং আনন্দ বেশি হয়। আমি বুঝেছি, আমার ওকে দরকার। আমি যেখানেই থাকি, ও পাশে থাকলে মনে হয়, আমি যেন ঘরেই আছি। আমি আমার প্রিয় বন্ধুকেই স্ত্রী হিসাবে পেয়েছি।’

যে কোনও সাক্ষাৎকারে বিজয়ের নাম শুনলে লজ্জায় লাল হয়ে উঠতেন রাশমিকাও। তবে কখনও স্বীকার করেননি কিছু। তবে বিয়ের দিন তিনিও স্বামীর জন্য লিখলেন দীর্ঘ পোস্ট। মনের সব কথা উজাড় করে দিলেন তিনিও।

রাশমিকা লিখেছেন, ... কী লিখেছেন?

‘যে মানুষটা আমাকে শিখিয়েছে, সত্যিকারের ভালোবাসা কেমন, যে মানুষটা আমাকে দেখিয়েছে শান্তিতে থাকা কাকে বলে! যে মানুষটা আমাকে প্রতিদিন বলতো যে, বড় স্বপ্ন দেখতে হবে, ক্রমাগত বলতো যে, আমি যা ভাবতে পারি তার চেয়ে অনেক বেশি কিছু অর্জন করতে সক্ষম আমি!’

‘যে মানুষটা আমাকে কখনো এমনভাবে নাচতে বাধা দেয়নি যেন কেউ দেখছে না, যে মানুষটা আমাকে বন্ধুদের সাথে বেড়াতে গিয়ে দেখিয়েছে, সে সর্বকালের সেরা। আর বিশ্বাস করো, আমি এই মানুষটাকে নিয়ে আস্ত একটা বই লিখতে পারি!’

‘আমি সেই মেয়েটিই হয়েছি, যে রকমটা হওয়ার স্বপ্ন আমি সবসময় দেখে এসেছি, কারণ আজ সে যা, তুমি তাকে সে রকম করে ‍তুরেছো। আমি সত্যিই ধন্য!’

‘বিজ্জু, তোমার প্রতি আমার অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করার মতো শব্দের বড় অভাব!! আমি তোমাকে সবসময় বলেছি!! কিন্তু তুমি জানো, আমার সব অর্জন, সংগ্রাম, সুখ, দুঃখ, আনন্দ, জীবন — সবকিছুই এখন অনেক বেশি অর্থবহ হয়ে ওঠে। কারণ আমি তোমাকে পেয়েছি, সবকিছুর সাক্ষী... সবকিছুর সবচেয়ে বড় অংশ হওয়া!’

‘তোমার বউ হতে পেরে আমি ভীষণ রোমাঞ্চিত! তোমার বউ হয়ে! আমাকে তোমার বউ বলে ডাকা হবে!! এখন তো পুরো পার্টির সময়!! চলো একসঙ্গে সেরা জীবনটুকু কাটাই! তোমাকে ভালোবাসি!’

আরএমডি