ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে নির্বাচন পরবর্তী সভা চলাকালে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ঝিনাইদহ-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী রাশেদ খানের উপস্থিতিতেই এই সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে ২ পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে কালীগঞ্জ থানা মোড়ে রাশেদ খানের নির্বাচনি কার্যালয় ও উপজেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, দুপুরের দিকে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী রাশেদ খানের দলীয় কার্যালয়ে মহারাজপুর ইউনিয়নের বিএনপি নেতাকর্মীদের নিয়ে নির্বাচন পরবর্তী করণীয় বিষয়ে মিটিং চলছিল। মিটিং চলাকালে নেতাকর্মীরা বাগ্বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে উভয়পক্ষের মধ্যে হাতা-হাতি ও সংঘর্ষ শুরু হয়। ওই সময় নেতাকর্মীদের একটি অংশ কালীগঞ্জ থানার ভিতরে ঢুকে পড়ে। সেখানেও দুপক্ষের মধ্যে দ্বিতীয় দফায় সংঘর্ষ বেঁধে যায়। এ সময় সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে দুই পুলিশ কনস্টেবলসহ ১০ বিএনপি নেতাকর্মী আহত হয়।
এ ঘটনার পর থেকে দুই গ্রুপের লোকজনের মধ্যে টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
এ বিষয়ে রাশেদ খান বলেন, আমি কালীগঞ্জে এসেছি শুনে অনেক নেতাকর্মী আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করার জন্য কার্যালয়ে আসেন। সেখানে নেতাকর্মীদের দুটি পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে আমি উভয়পক্ষের সঙ্গে কথা বলেছি। পরিস্থিতি ঠিক আছে।
কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জেল্লাল হোসেন বলেন, থানার সামনেই ঝিনাইদহ-৪ আসনের ধানের শীষের নির্বাচনি কার্যালয়। ওই কার্যালয়ে বিএনপির কর্মীদের সমন্বয় সভা চলছিল। এ সময় দু’পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয়েছে। পরে তাদের একটি পক্ষ থানায় ঢুকে পড়লে অপরপক্ষ থানা এলাকার মধ্যে ঢুকে হামলা চালিয়েছে। হামলার ঘটনায় পুলিশের দুই সদস্য আহত হয়েছেন।
এম শাহাজান/কেএইচকে/জেআইএম