দেশজুড়ে

জয়পুরহাটে কষ্টিপাথরের বিষ্ণুমূর্তি উদ্ধার, পাচারকারী আটক

জয়পুরহাটে ৩০ লাখ টাকা মূল্যের কষ্টিপাথরের দুটি বিষ্ণুমূর্তি উদ্ধার করেছে জয়পুরহাট ব্যাটালিয়ন (২০ বিজিবি) এর বিশেষ টহলদলের সদস্যরা। এ সময় পাচারের অভিযোগে শহিদুল ইসলাম (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়।

শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ২০ বিজিবির পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। এর আগে এদিন দিবাগত রাত দেড়টায় সদর উপজেলার হিচমী বাইপাস সংলগ্ন কমর গ্রাম এলাকা থেকে মূর্তি দুটি উদ্ধার করা হয়।

আটক শহিদুল ইসলাম গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কামদিয়া ইউনিয়নের রশিদনগর টুলট গ্রামের মৃত ময়েজ উদ্দিনের ছেলে বলে জানা গেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জয়পুরহাট ব্যাটালিয়ন (২০ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোহাম্মদ লতিফুল বারীর সার্বিক নেতৃত্বে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযানটি পরিচালিত হয়। শুক্রবার দুপুরের দিকে সদর থানাধীন হিচমী বাইপাস সংলগ্ন গোবিন্দগঞ্জ-জয়পুরহাট সড়কের একটি নির্জন স্থানে সাদা প্লাস্টিকের বস্তা নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন শহিদুল ইসলাম। বিজিবি টহলদলের সন্দেহ হলে তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি সদুত্তর দিতে না পারলেও পরে বস্তার ভেতরে অবৈধ কষ্টিপাথরের মূর্তি থাকার কথা স্বীকার করেন। এরপর বস্তা থেকে একটি বড় ও একটি ছোট আকারের বিষ্ণু মূর্তি উদ্ধার করা হয়।

বিজিবির দাবি, উদ্ধারকৃত বড় মূর্তিটির ওজন ২৮ কেজি ৫০০ গ্রাম এবং ছোটটির ওজন ২ কেজি ২০০ গ্রাম। উদ্ধারকৃত এই কষ্টিপাথরের মূর্তি দুটির আনুমানিক বাজার মূল্য ধরা হয়েছে ৩০ লাখ ৭০ হাজার টাকা।

জয়পুরহাট ব্যাটালিয়ন (২০ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোহাম্মদ লতিফুল বারী জানান, উদ্ধারকৃত মূর্তিগুলো এবং আটক ব্যক্তিকে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও প্রত্নতাত্ত্বিক সম্পদ পাচাররোধে বিজিবির এ ধরনের কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে।

মাহফুজ রহমান/এনএইচআর