কাতারের রাস লাফান জ্বালানি কমপ্লেক্সে হামলায় নিজেদের শক্তির মাত্র ‘একাংশ’ ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, আমাদের সংযমের একমাত্র কারণ ছিল উত্তেজনা কমানোর আহ্বানের প্রতি সম্মান।
একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও উপসাগরীয় দেশগুলোর উদ্দেশে ইঙ্গিতপূর্ণ হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, ইরানের অবকাঠামোতে আবার হামলা হলে আর কোনো ধরনের সংযম দেখানো হবে না। তিনি আরও বলেন, ইরানের বেসামরিক স্থাপনাগুলোর ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি অবশ্যই বিবেচনায় নিতে হবে।
এদিকে, বুধবার (১৮ মার্চ) বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র রাস লাফানে ইরানের হামলায় কাতারের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) রপ্তানি সক্ষমতার ১৭ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে ও স্থাপনাগুলো মেরামত করতে ৩ থেকে ৫ বছর লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন কাতারএনার্জির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সাদ আল-কাবি।
আল-কাবি বলেন, আমি স্বপ্নেও ভাবিনি যে কাতার ও এই অঞ্চল এমন কোনো হামলার শিকার হবে। বিশেষ করে, রমজান মাসে আমাদেরই এক মুসলিম ভ্রাতৃপ্রতিম দেশের কাছ থেকে এভাবে আক্রান্ত হওয়াটা ছিল অকল্পনীয়।
বুধবার (১৮ মার্চ) ভোরে ইরানের সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্রের একটি পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্সে বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল। এটি বিশ্বের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র। গ্যাসক্ষেত্রটির একটি অংশ কাতারের।
সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্রে হামলার জবাবে সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের জ্বালানি ক্ষেত্রে পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইরান।
সূত্র: আল-জাজিরা
এসএএইচ