কুমিল্লা, ফেনী, হবিগঞ্জ, জামালপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে দুর্ঘটনায় বহু মানুষের হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী জানান, প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন, তদন্তের মাধ্যমে এসব দুর্ঘটনার নেপথ্য কারণ দ্রুত খুঁজে বের করতে হবে। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে একাধিকবার কথা বলেছেন তিনি। আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত এবং নিহতদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদানে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দিয়েছেন।কুমিল্লায় বাস-ট্রেন দুর্ঘটনার কারণ নির্ণয়ে ইতোমধ্যেই তিনটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ দুটি তদন্ত কমিটি করেছে। অপর একটি কমিটি গঠন করেছে কুমিল্লা জেলা প্রশাসন। প্রতিটি কমিটিকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তাদের তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। দায়িত্বে অবহেলার জন্য ইতোমধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তদন্ত রিপোর্টের ভিত্তিতে আরও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রেস সচিব জানান, এছাড়া ফেনী, হবিগঞ্জ, জামালপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে দুর্ঘটনায় হতাহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে তাদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘পবিত্র ঈদ উদযাপনের এই আনন্দঘন মুহূর্তে এসব দুর্ঘটনা অত্যন্ত বেদনাদায়ক এবং উদ্বেগজনক। প্রতিটি জীবন মূল্যবান। প্রতিটি মৃত্যুই অপূরণীয় ক্ষতি। মহান আল্লাহর দরবারে নিহতদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। হতাহত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই। জনগণের যাতায়াত নির্বিঘ্ন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকার বদ্ধপরিকর। এ বিষয়ে কোনো শৈথিল্য বরদাশত করা হবে না।”
তিনি আরও বলেন, রেলক্রসিং ব্যবস্থাপনা, সেতুর নিরাপত্তা এবং সামগ্রিক পরিবহন ব্যবস্থার দুর্বলতা চিহ্নিত করে জরুরি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
কেএইচ/জেএইচ