দেশের ১৮তম অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। বুধবার (২৫ মার্চ) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। নিয়োগের পর এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘কারও ন্যায়বিচারে বাধা দেবো না।’
কাজল আবেগাপ্লুত হয়ে মায়ের কথা এবং বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কথাও মনে পড়েছে বলে জানিয়েছেন।
রুহুল কুদ্দুস কাজল সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র অ্যাডভোকেট হিসেবে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। তিনবার (২০২০-২১, ২০২১-২২, ২০২২-২৩) সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচিত সম্পাদক ছিলেন তিনি। এছাড়া বার কাউন্সিলের সদস্য ও এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্বও পালন করেন।
১৯৯৫ সালে ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের আইনজীবী হিসেবে পেশাজীবন শুরু করেন। ১৯৯৬ সালে সুপ্রিম কোর্টে প্রাকটিসের অনুমতি পান এবং ২০০৮ সালে আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ২০২৩ সালে তিনি আপিল বিভাগ থেকে সিনিয়র অ্যাডভোকেট হিসেবে স্বীকৃতি পান।
আরও পড়ুনঅ্যাটর্নি জেনারেল হলেন ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ত্রয়োদশ ও পঞ্চদশ সংশোধনী, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বৈধতা এবং জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার শুনানিতে ব্যারিস্টার কাজলের সাবমিশন বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়।
শিক্ষাজীবনে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি (অনার্স) ও এলএলএম পাস করেন। যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন ও সিটি ইউনিভার্সিটি থেকে আইন শিক্ষা অর্জন করেন এবং লিংকনস ইন থেকে ব্যারিস্টার এট ল’ সনদ পান। ব্যারিস্টার কাজল বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে রাজনীতিতেও সক্রিয়।
এর আগে ২৭ ডিসেম্বর অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন। পরে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে আইনমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
এফএইচ/এমআইএইচএস