কুমিল্লায় ট্রেন-বাসের সংঘর্ষে ১২ জন নিহতের ঘটনায় গেটম্যান কাউসারকে গ্রেফতার করেছে রেলওয়ে পুলিশ। বুধবার (২৫ মার্চ) বিকেলে কুমিল্লা নগরীর টমছমব্রিজ এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার কাউসার ঘটনার দিন ৫০০ টাকার বিনিময়ে বদলী গেটম্যান হিসেবে ডিউটিতে ছিলেন।
মামলার তদন্তে সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছে বলে জানিয়েছেন লাকসাম রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জসীম উদ্দিন।
এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় অভিযান চালিয়ে মামলার এক নম্বর আসামি হেলাল উদ্দীনকে কুমিল্লার শশীদল এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
ওসি জসীম উদ্দিন জানান, মামলায় কাউসারের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি প্রতীয়মান হওয়ায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে মামলার এজাহার ভুক্ত আসামি মেহেদী হাসান এখনো পলাতক। কাউসার নিজেও একজন অস্থায়ী গেটম্যান।
তিনি বলেন, গেটম্যান আগের স্টেশন থেকে সিগন্যাল পেয়েছে কি না সে বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মামলার আসামি মেহেদী হাসান এখনো পলাতক। হেলালকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে সোমবার পদুয়ার বাজার লেভেলক্রসিংয়ের গেটম্যান হেলাল উদ্দিন ও ওয়েম্যান মেহেদী হাসানকে আসামি করে লাকসাম রেলওয়ে থানায় মামলা করেন আহত বাস যাত্রী শেফালী আক্তার। শেফালী আক্তার দুর্ঘটনায় নিহত সোহেল রানার খালা তার বাড়ি কুমিল্লার লাকসাম।
গত শনিবার দিবাগত রাত ২টা ৫৫ মিনিটে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার পদুয়ার বাজারে লেভেল ক্রসিংয়ে ঢাকা মেল ট্রেনের সঙ্গে মামুন স্পেশাল নামের একটি বাসের সংঘর্ষে ১২ জন যাত্রী নিহত হয়। এতে গুরুতর আহত হয় অন্তত ১৫ জন যাত্রী।
জাহিদ পাটোয়ারী/আরএইচ