দেশজুড়ে

যমুনা সেতু পার হতেই দুই ঘণ্টা, ঢাকামুখী লেনে ৩ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট

পবিত্র ঈদুল ফিতর পরবর্তী কর্মস্থলে ফেরা মানুষের চাপে যমুনা সেতুর পশ্চিম টোলপ্লাজায় যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়েছে। শনিবার (২৮ মার্চ) ভোর থেকে সেতুর পশ্চিম পাড়ে ঢাকামুখী লেনে প্রায় ৩ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে যানবাহনের ধীরগতি ও জট সৃষ্টি হয়। এতে উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের ২২ জেলার যাত্রীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

শনিবার ভোর সাড়ে ৬টার দিকে দেখা যায়, যমুনা সেতুর পশ্চিম টোলপ্লাজায় ঢাকামুখী শত শত যানবাহন সেতুতে ওঠার অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে আছে। দেড় থেকে দুই ঘণ্টা পর্যন্ত অপেক্ষা করে একেকটি গাড়ি সেতুতে ওঠার সুযোগ পাচ্ছে। তবে সেতুর পূর্ব প্রান্তে (টাঙ্গাইল অংশ) কোনো জট না থাকায় উত্তরবঙ্গগামী লেনে যান চলাচল একদম স্বাভাবিক রয়েছে।

এমন ভোগান্তির কথা জাগো নিউজকে বলছিলেন ঢাকার একটি পোশাক শিল্পের হিসাব শাখায় কর্মরত সোহেল রানা সোহাগ। তিনি বলেন, ভোর ৬টায় সিরাজগঞ্জ শহর থেকে এসআই পরিবহনে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হই। স্বাভাবিক সময়ে তিন ঘণ্টায় ঢাকায় পৌঁছাতে পারলেও আজ তাকে সেতু পার হতেই দুই ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়েছে।

মুঠোফোনে কথা হয় যমুনা সেতু পশ্চিম থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জিয়াউর রহমানের সঙ্গে। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, আজ ভোর থেকেই পশ্চিম টোলপ্লাজায় গাড়ির চাপ বেড়েছে। এতে সেতুর পশ্চিমপাড়ে প্রায় তিন কিলোমিটার পর্যন্ত গাড়ির দীর্ঘ সারি তৈরি হয়। ঢাকামুখী সড়কে অতিরিক্ত গাড়ি থাকায় যাত্রীদের এমন ভোগান্তি হচ্ছে। তবে আশা করা যায় বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গাড়ির চাপ কমে যাবে।

হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইসমাইল হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, ঢাকামুখী লেনে যানবাহনের চাপ থাকলেও মহাসড়কে কোনো যানজট নেই। আর উত্তরবঙ্গগামী সড়কে যানচলাচল একদম স্বাভাবিক রয়েছে। আমরা যাত্রীদের নির্বিঘ্নে কর্মস্থলে পৌঁছাতে জেলা পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছি।

এম এ মালেক/কেএইচকে/এএসএম