গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে রোগীদের জন্য সরবরাহ করা সকালের নাশতার মান নিয়ে অভিযোগ উঠেছে। প্রতিদিনের মতো সকালে রোগীদের জন্য ডিম, পাউরুটি ও কলা দেওয়া হলেও তা খাওয়ার অযোগ্য বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকালে হাসপাতালের পুরুষ ওয়ার্ডে রোগীদের নাশতায় দেওয়া ডিমের মধ্যে বাচ্চাসদৃশ কিছু পাওয়া যায়। কিছু ডিম ছিল পচা।
রোগীদের অভিযোগ, নাশতায় দেওয়া ডিম থেকে তীব্র দুর্গন্ধ বের হচ্ছিল। ফলে কেউই তা খেতে পারেননি। একই সঙ্গে পাউরুটিতেও ছত্রাকজনিত ময়লা পাওয়া গেছে বলে জানান তারা।
হাসপাতালে সেবা নিতে আসা রোগী আমির হামজা জাগো নিউজকে বলেন, ‘সকালে ডিম, পাউরুটি ও কলা দেওয়া হয়। তবে ডিমে দুর্গন্ধ ও কালো দাগ পাই। পরে খেতে না পেরে ডাস্টবিনে ফেলে দিয়েছি। যারা এসব খাবার দিচ্ছে তাদের আইনের আওতায় আনা উচিত। পুরোই অবহেলা।’
আরেক রোগী শিমুল বলেন, ‘বিষয়টি দুঃখজন। শুধু ডিম পচা নয়, ডিমের মধ্যে বাচ্চার অস্তিত্বও পেয়েছি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষদের অবহেলার কারণেই এরকম ঘটনা ঘটেছে।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে খাবার সরবরাহের ঠিকাদার খন্দকার সাহাদাত বলেন, ‘আড়াইশ ডিমের মধ্য দু-চারটা ডিমে সমস্যা হতেই পারে। খাবারের মান নিয়ে রোগীর স্বজনরা অহেতুক ঝামেলা সৃষ্টি করেন। আমি বাজেটের মধ্যেই খাবার সরবরাহ করি। এর চেয়ে বেশি তারা দাবি করলেই তো আমি দিতে পারবো না।’
গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক আসিফুজ্জামান আসিফ সরকার বলেন, খাবারের মানে কোনো সমস্যা নেই। তবে ঠিকাদার কয়েকদিনের ডিম একসঙ্গে কেনার কারণে সামন্য সমস্যা হয়েছিল। বিষয়টি ঠিকাদারকে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে।
আনোয়ার আল শামীম/এসআর/এএসএম