জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সরকার নির্ধারিত সময় অনুযায়ী সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বিপণিবিতান বন্ধ রাখার নির্দেশনা থাকলেও রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় তার বাস্তবায়ন নেই বললেই চলে। নির্ধারিত সময় অতিক্রমের পরও অধিকাংশ দোকান খোলা রেখে ব্যবসা চালিয়ে যেতে দেখা গেছে ব্যবসায়ীদের।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৮টার দিকে সরেজমিনে নিউমার্কেট এলাকায় এমন চিত্র দেখা গেছে৷
সরেজমিনে দেখা যায়, অধিকাংশ দোকানই খোলা রয়েছে। ক্রেতাদের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো। বিশেষ করে পোশাক, জুতা ও কসমেটিকসের দোকানগুলোতে কেনাবেচা স্বাভাবিকভাবেই চলতে দেখা গেছে। এতে করে সরকারি নির্দেশনার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
এ সময় কিছু দোকান বন্ধ থাকলেও সংখ্যায় তা ছিল হাতে গোনা। অনেক ব্যবসায়ী জানান, ঈদ-পরবর্তী সময়েও বিক্রি ধরে রাখতে তারা দোকান খোলা রাখতে বাধ্য হচ্ছেন।
নিউমার্কেটের ব্যবসায়ী হাবিবুর রহমান বলেন, সরকার নির্দেশনা দিয়েছে আমরাও দেখেছি। দোকান থেকে কাস্টমার কমছে না। দোকান বন্ধ করবো সেই সুযোগ পাচ্ছি না।
আরেক দোকানি মিনাজুল ইসলাম বলেন, অনেকে দোকান খোলা রেখেছে, তাই আমিও রেখেছি। যদিও সরকারি নির্দেশনা অমান্য হচ্ছে। পেটের দায়ে দোকান খোলা রেখেছি৷
রাজধানীর নিউমার্কেট/ছবি: জাগো নিউজ
চন্দ্রিমা সুপার মার্কেটের দোকানি আলিফ বলেন, বন্ধ করবো-করবো করে দেরি হয়ে গেলো। কাস্টমারের আনাগোনা কমছে না, এ জন্য লেট হইছে।
অন্যদিকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদারকির অভাবকেই এ পরিস্থিতির জন্য দায়ী করছেন সচেতন নাগরিকরা। তারা বলছেন, কেবল নির্দেশনা জারি করলেই হবে না, তা বাস্তবায়নে নিয়মিত মনিটরিং এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
তবে নিউমার্কেটে কেনাকাটা করতে আসা ক্রেতারা জানিয়েছেন, মার্কেট বন্ধ করতে সরকারি কোনো প্রতিষ্ঠানকে তদারকি করতে দেখা যায়নি।
এনএস/এমএমকে