ইরানের মাশাহার স্পেশাল ইকোনমিক জোন এলাকায় অবস্থিত পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্সে হামলা চালিয়েছে যৌথবাহিনী। শনিবার (৪ এপ্রিল) এই পেট্রোকেমিক্যাল স্থাপনায় একটি বিমান হামলা চালানো হয়। এতে অন্তত পাঁচজন মারা গেছে এবং ১৭০ জনের বেশি মানুষ আহত হয়েছে।
এ হামলা মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে বলে সংবাদ প্রকাশ করে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।
ইরনার তথ্য মতে, ইরানের দক্ষিণ‑পশ্চিমে খুজিস্তান প্রদেশের এই পেট্রোকেমিক্যাল স্থাপনা দেশটির প্রধান শিল্পিক এলাকার একটি, যেখানে বহু পেট্রোকেমিক্যাল কোম্পানি ও বড় বড় প্ল্যান্ট রয়েছে।
ইরান সরকার এবং প্রদেশের কর্মকর্তারা দাবি করেন যে, এটি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলা বা সেন্ট্রাল অভিযান ছিল। তবে মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনী এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য না করলেও গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, এ হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ অভিযানের পর মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে এমন আহ্বান জানায় চীন। ওই অভিযানে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৩৪০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়তুল্লাহ আলি খামেনিও রয়েছেন।
এর জবাবে ইসরায়েল, জর্ডান, ইরাক এবং উপসাগরীয় দেশগুলোতে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। এতে হতাহতের পাশাপাশি অবকাঠামোর ক্ষতি হয়েছে এবং বৈশ্বিক বাজার ও বিমান চলাচলে বিঘ্ন ঘটেছে।
কেএম