জাতীয়

আরও ১২৮টি বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে: দুর্যোগমন্ত্রী

বন্যা ও ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় দেশের বন্যাপ্রবণ ৪৩টি জেলার ২৫৮টি উপজেলায় ৩২০টি বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। আরও ১২৮টি কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে বলেও জানান তিনি।

রোববার (৫ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ অধিবেশনের প্রথম অধিবেশনের অষ্টম দিন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনের সংসদ মো. আবদুল মান্নানের লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশে প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় দুর্যোগঝুঁকি হ্রাসকল্পে বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

মন্ত্রণালয়ের বিশেষ পদক্ষেপ

• বন্যা ও ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় দেশের বন্যাপ্রবণ ৪৩টি জেলার ২৫৮টি উপজেলায় ৩২০টি বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছে এবং আরও ১২৮টি বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে। এছাড়াও ‘উপকূলীয় ও ঘূর্ণিঝড় প্রবণ এলাকায় ৯০টি বহুমুখী ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র’ নির্মাণ করা হবে। অন্যদিকে সারাদেশে ১১৫টি দুর্যোগ আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছে এবং ১২২টি দুর্যোগ আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে।

• দুর্যোকালীন সহজে ও দ্রুত আশ্রয়কেন্দ্রে যাতায়াতের জন্য দেশব্যাপী ১২ হাজার ২৪৫টি সেতু/কালভার্ট নির্মাণ করা হয়েছে এবং আরও ২ হাজার ৩৬টি সেতু/কালভার্ট নির্মাণ করা হবে। এছাড়া ৬ হাজার ৭৮৮ কিলোমিটার এইচবিবি রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে এবং আরও ১ কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণ করা হবে।

• দেশের ১২টি জেলার ৩৫টি উপজেলায় দুর্যোগকালীন জরুরি উদ্ধারকাজে ব্যবহারের জন্য টেলিকমিউনকেশন ইকুইপমেন্ট, ফায়ার ফাইটং ইকুইপমেন্ট, রেডিও সেট, ১২টি রেসকিউ বোট এবং ৪১৩টি শ্যালো ওয়াটার রিসোর্চ বোট ক্রয় করা হবে।

• অন্যদিকে, ভূমিকম্প ঝুঁকি মোকাবিলায় ১১টি এরিয়াল প্ল্যাটফর্ম ল্যাডার ক্রয়পূর্বক ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সকে প্রদান করা হয়েছে। এছাড়াও ৩টি ফর্কলিফ্ট, ২০ টনের ৩টি ডোজার, ৪৮ টনের ৩টি ডোজার আর্মড ফোর্সেস ডিভিশনকে প্রদান করা হয়েছে। সরকার এই মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে দুর্যোগকালীন উদ্ধারকাজের জন্য আরও অগ্নিনির্বাক সরঞ্জামাদি, তাবু, এয়ার বোট, স্পিড বোট, ইমারজেন্সি রেসপন্স ভেহিকল, স্যার্চ অ্যান্ড রেসকিউ ইকুইপমেন্ট, টেলিযোগাযোগসহ অন্যান্য সরঞ্জাম ক্রয় করে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স আর্মড ফোর্সেস ডিভিশন, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মধ্যে বিতরণ করা হবে।

এমওএস/ইএ