জাতীয়

হেফাজত থেকে আসামির পলায়ন: শাস্তি পেলেন অতিরিক্ত এসপি কনক দাস

পুলিশ হেফাজত থেকে এজাহারভুক্ত এক নম্বর আসামি এসআই সুকান্ত দাসের পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কনক কুমার দাসকে ‘তিরস্কার’ শাস্তি দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (৬ এপ্রিল) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীর স্বাক্ষরে জারি করা এ প্রজ্ঞাপনে এ শাস্তির কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা-২ শাখা থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, আলমডাঙ্গা থানার তিওরবিলা পুলিশ ক্যাম্পে থাকা এসআই সুকান্ত দাসকে নিরাপত্তার স্বার্থে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করে সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গার তৎকালীন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বর্তমানে বগুড়া ৪ এপিবিএনে কর্মরত) কনক কুমার দাসকে মোবাইল ফোনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়।

তবে অভিযোগ ওঠে, তিনি যথাযথ নজরদারি ও তদারকির ব্যবস্থা গ্রহণে ব্যর্থ হন। এর ফলে এসআই সুকান্ত দাস পুলিশ লাইন্স থেকে পালিয়ে যান।

এ ঘটনা গত বছরের ২৭ অক্টোবর কনক কুমার দাসের বিরুদ্ধে ‘অসদাচরণ’র অভিযোগে বিভাগীয় মামলা করা হয় এবং তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। পরে তিনি ২২ নভেম্বর লিখিত জবাব দাখিল করেন এবং ব্যক্তিগত শুনানির আবেদন জানান।

চলতি বছরের ১ এপ্রিল অনুষ্ঠিত ব্যক্তিগত শুনানিতে তার বক্তব্য, অভিযোগের গুরুত্ব এবং সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র পর্যালোচনা করে কর্তৃপক্ষ তাকে লঘুদণ্ড দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী ‘অসদাচরণ’র দায়ে দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় কনক কুমার দাসকে ‘তিরস্কার’ সূচক লঘুদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

টিটি/বিএ