খুলনার দিঘলিয়াতে যুবদল নেতা মুরাদ খাঁ (৪২) হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি বাকা মাসুদকে (৩৪) গ্রেফতার করেছে র্যাব-৬।
সোমবার (৬ এপ্রিল) বিকেল ৪টার দিকে র্যাব-৬ ও ভাটিয়াপাড়া ক্যাম্পের এক যৌথ টিম মাগুরার মোহাম্মদপুর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে। র্যাব-৬ এর স্পেশাল কোম্পানি কমান্ডার মেজর নাজমুল ইসলাম গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
র্যাব-৬ সূত্র জানায়, গ্রেফতার বাকা মাসুদ খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার বাকা মিয়ার ছেলে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাগুরার ঝামা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, নিহত মুরাদ খাঁ (৪২) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের স্থানীয় নেতা ছিলেন। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি বেলা ১১টার দিকে দিঘলিয়া উপজেলা চত্বরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাকা মাসুদের সঙ্গে দিঘলিয়া থানা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মেহেদী হাসান ওরফে সাজ্জাদ হোসেন এবং তার সহযোগীদের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। এর জের ধরে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে মুরাদ খাঁ পথের বাজারে জুতা কিনতে যাওয়ার সময় বকশি বাড়ি সংলগ্ন কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি) এলাকায় পূর্ব পরিকল্পিতভাবে তার ওপর হামলা চালানো হয়।
আরও পড়ুনবন্ধুর বিয়েতে দুই লিটার অকটেন উপহার ৭ হাজার টাকা পর্যন্ত বেড়েছে ট্রাকভাড়া, বাড়ছে মাছের দাম
এ সময় বাকা মাসুদসহ এজাহারভুক্ত ১১ জন ও অজ্ঞাতপরিচয় আরও ১০-১২ জন দেশীয় অস্ত্র, লোহার রডসহ বিভিন্ন মারাত্মক অস্ত্র দিয়ে তাকে গুরুতরভাবে জখম করে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় মুরাদ খাঁকে দিঘলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওইদিন সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী জান্নাতুল মাওয়া বাদী হয়ে দিঘলিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এতে বাকা মাসুদসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও ১০-১২ জনকে আসামি করা হয়।
র্যাব-৬ এর স্পেশাল কোম্পানি কমান্ডার মেজর নাজমুল ইসলাম বলেন, গ্রেফতার আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। আরিফুর রহমান/কেএসআর