মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদ ও ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরঘচি টেলিফোনে কথা বলেছেন। ইরান উপসাগরীয় দেশগুলোতে হামলা শুরুর পর এটি দুই দেশের মধ্যে প্রথম আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ।
সৌদির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, আলোচনায় বর্তমান পরিস্থিতির সর্বশেষ অগ্রগতি এবং উত্তেজনা কমানোর উপায় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা পুনঃপ্রতিষ্ঠায় সহায়ক পদক্ষেপ নিয়ে দুই পক্ষ মতবিনিময় করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরান ও সৌদি আরবের এই যোগাযোগ চলমান সংঘাত প্রশমনে কূটনৈতিক প্রচেষ্টার গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত হতে পারে।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করা মার্কিন রণতরী, যুদ্ধবিমান এবং কয়েক হাজার সৈন্য এখনই প্রত্যাহার করা হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) তার নিজস্ব সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা জানান।
কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে ট্রাম্প বলেন, চুক্তি পুরোপুরি মেনে না চললে ইরানকে এমন ভয়াবহ হামলার শিকার হতে হবে যা বিশ্ব আগে কখনো দেখেনি।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সব জাহাজ, অতিরিক্ত গোলাবারুদ, অস্ত্রশস্ত্রসহ সব বিমান, রণতরী এবং সামরিক সদস্য ইরানের আশপাশে অবস্থান করবে, যতক্ষণ না প্রকৃত চুক্তিটি সম্পূর্ণভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। যদি কোনো কারণে তা বাস্তবায়িত না হয়—যদিও তা হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম—তাহলে আবার গুলি চলা শুরু হবে এবং তা হবে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বড়, আরও উন্নত এবং আরও শক্তিশালী।
ট্রাম্প আরও বলেন. অনেক আগেই এ বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছিল যে, কোনো পারমাণবিক অস্ত্র নয় এবং হরমুজ প্রণালি অবশ্যই খোলা ও নিরাপদ থাকতে হবে।
সূত্র: আল-জাজিরা
এমএসএম