শিক্ষা

‘মোবাইল একটা, বাচ্চা দুইটা, অনলাইন ক্লাস করবে কীভাবে’

রুবিনা ফেরদৌসের দুই মেয়ে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছাত্রী। বড় মেয়ে এবার ষষ্ঠ শ্রেণিতে, ছোট মেয়ে চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ছে। জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকারের সিদ্ধান্তে অনলাইন ক্লাস চালু করতে যাচ্ছে ভিকারুননিসা নূন স্কুল—এমন খবর শোনার পর থেকেই উদ্বিগ্ন তিনি।

রুবিনা ফেরদৌস জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমার হাজবেন্ড দেশের বাইরে থাকেন। আমি একটা মোবাইল ফোন ব্যবহার করি। ফোনটা আমার, সেটা নিয়ে অফিসে যাই। বাসায় শ্বশুর যে মোবাইল ব্যবহার করেন, তা দিয়ে ইন্টারনেট চালানো যায় না। আমার মোবাইলটা যদি বাড়িতে রেখেও যাই, তবুও তো দুই মেয়ে অনলাইনে ক্লাস করতে পারবে না। এখন ওদের জন্য কি জনে জনে মোবাইল কিনতে হবে? এটা কি হুট করে বললেই সম্ভব?’

আরও পড়ুনসন্তানের মোবাইল আসক্তি কমাতে কী করবেন?শিশুর স্মার্টফোন আসক্তি কমানোর ৫ উপায়

শুধু রুবিনা ফেরদৌস নন, অনলাইন ক্লাসের ঘোষণায় দিশাহারা অধিকাংশ অভিভাবক। তাও আবার খোদ রাজধানীতে বসবাসকারীরা। ঢাকার বাইরে কিংবা জেলা-উপজেলা পর্যায়ে অনলাইন ক্লাস চালু হলে এ সংকট আরও প্রকট হবে।

অভিভাবক সাব্বির আহমেদ সরকারকে উদ্দেশ্য করে বলেন, শিক্ষার্থীদের আর ক্ষতি করবেন না। করোনাভাইরাসের মধ্যে অনলাইন ক্লাস, অটোপাস দিয়ে তিন-চারটা বছর পার হয়েছে। ওই সময় কিছুই শিখতে পারেনি। আমার ছেলে ক্লাস ফাইভ পর্যন্ত করোনাকালে কিছু শেখেনি। আবার অনলাইনে ক্লাসের নামে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করার পক্ষে নই আমি।

অভিভাবকরা বলছেন, কোনোভাবেই অনলাইন ক্লাস গ্রহণযোগ্য নয়। শহরে অধিকাংশ বাবা-মা চাকরিজীবী। তারা সন্তানদের স্কুলে দিয়ে কর্মক্ষেত্রে যান, ক্লাস শেষে বাসায় নিয়ে আসেন। বাসায় শিশুদের হাতে মোবাইল ফোন দিয়ে একা রেখে আসাটা ঝুঁকিপূর্ণ। পাশাপাশি অধিকাংশ পরিবারের পক্ষে সন্তানদের জন্য আলাদা মোবাইল ফোন, ইন্টারনেট সংযোগ নিশ্চিত করা কষ্টসাধ্য।

অনলাইন ক্লাসের পক্ষে নন শিক্ষাবিদরাও। অনলাইন-অফলাইনের সমন্বিত এ পদ্ধতি বাস্তবায়ন অযোগ্য এবং বৈষম্য বাড়াবে বলে মত দিয়েছেন। বরং ক্লাসের সময় কমিয়ে হলেও সশরীরে ক্লাস চালু রাখার পক্ষে মত দিয়েছেন শিক্ষা-সংশ্লিষ্টরা।

আরও পড়ুনস্মার্টফোনের জালে বন্দি শৈশবডিভাইস আসক্তিতে বাড়ছে ক্ষতি 

কী করতে চায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়

জ্বালানি সংকট পরিস্থিতিতে গত দুই সপ্তাহ ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন ক্লাস চালু নিয়ে আলোচনা চললেও এখনো কিছুই স্পষ্ট করে জানায়নি শিক্ষা মন্ত্রণালয়। শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তিনদিন অনলাইন এবং তিনদিন অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস চালুর বিষয়ে ইঙ্গিত দিয়ে আসছেন।

সবশেষ বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সংবাদ সম্মেলন করে শিক্ষামন্ত্রী জানান, শুধু ঢাকার নির্বাচিত কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তিনদিন অনলাইন ক্লাস চালু করা হবে। রবি, মঙ্গল ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস হবে। আর শনি, সোম ও বুধবার সশরীরে স্কুলে ক্লাস হবে। শিগগির বিষয়টি চূড়ান্ত করে নির্দেশনা জারি করা হবে বলেও জানান মন্ত্রী।

কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নামও উল্লেখ করেন তিনি, যেগুলোতে প্রাথমিকভাবে অনলাইনে ক্লাস চালু করা হতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে—ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ।

শিক্ষামন্ত্রীর ভাষ্য, ‘আমরা শুরুতে ঢাকার কিছু নামি প্রতিষ্ঠানে এটা করতে চাই। ভিকারুননিসা হতে পারে, রাজউক হতে পারে। আবার রেসিডেন্সিয়ালও থাকতে পারে। অন্যদের মধ্যে কেউ যদি আগ্রহ দেখান, তারাও চালু করতে পারেন। বেশি শিক্ষার্থী রয়েছে, আবার সক্ষমতাও রয়েছে—এমন প্রতিষ্ঠানগুলোতে অনলাইন ক্লাস প্রথমে চালু করা হবে।’

আরও পড়ুনঅনলাইন ক্লাস কোন কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে, কখন-কীভাবেশিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইন, ৩ দিন অফলাইনে ক্লাস: শিক্ষামন্ত্রী 

ডিভাইস সংকট, অপ্রতুল ইন্টারনেট সংযোগ

হঠাৎ অনলাইন ক্লাস চালুর ঘোষণায় বিপাকে পড়েছেন অভিভাবকরা। তাদের কাছে পর্যাপ্ত মোবাইল ফোন এবং ভালো ইন্টারনেট সংযোগ নেই। অনলাইনে নিরবচ্ছিন্ন ক্লাস করানোর জন্য যে ধরনের ভালো মোবাইল ফোন ও ভালো সংযোগ দরকার, তা নিশ্চিত করতে এখন বাড়তি খরচের চাপে পড়েছেন অভিভাবকরা। দুই বা তার চেয়ে বেশি সন্তানের বাবা-মায়েরা এ সংকটে দিশাহারা।

মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের বনশ্রী শাখার পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী সাবিনা ইয়াসমিন। তার বাবা আফজাল হোসেন বলেন, ‘অনলাইন ক্লাসটা আমরা চাই না বলার পরও সরকার চাপিয়ে দিচ্ছে। আমার তিন সন্তান। এক ছেলে ও দুই মেয়ে। সবাই স্কুল-পর্যায়ে পড়ালেখা করে। তিনজনের জন্য তিনটি মোবাইল দরকার। কিন্তু বাসায় আছে একটা। আমারটা তো আমাকে ব্যবসায়িক কাজে সঙ্গে রাখতে হয়। আমি বাসায় থাকি না। ওদের আম্মুও বেসরকারি চাকরিজীবী। তাহলে বাসায় ওদের জন্য পৃথক তিনটি নতুন মোবাইল এখন কে কিনে দেবে?’

অভিভাবকরা বলছেন, কোনোভাবেই অনলাইন ক্লাস গ্রহণযোগ্য নয়। শহরে অধিকাংশ বাবা-মা চাকরিজীবী। তারা সন্তানদের স্কুলে দিয়ে কর্মক্ষেত্রে যান, ক্লাস শেষে বাসায় নিয়ে আসেন। বাসায় শিশুদের হাতে মোবাইল ফোন দিয়ে একা রেখে আসাটা ঝুঁকিপূর্ণ। পাশাপাশি অধিকাংশ পরিবারের পক্ষে সন্তানদের জন্য আলাদা মোবাইল ফোন, ইন্টারনেট সংযোগ নিশ্চিত করা কষ্টসাধ্য।

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজেও অনলাইন ক্লাস চালু করতে চায় সরকার। অথচ এ প্রতিষ্ঠানের তিনজন অভিভাবকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা এটা চালুর পক্ষে নন। সাজিয়া আক্তার নামে একজন অভিভাবক বলেন, ‘বাসায় ওয়াইফাই নেই। মোবাইল ইন্টারনেট চালানো হয়। এখন দুই ছেলের জন্য দুটি ফোন এবং মাসে অন্তত ২০ জিবি নেট কিনতে হবে। মোবাইল ও ইন্টারনেটের এ প্যাকেজ কেনার খরচটা কে দেবে?’

বিপাকে চাকরিজীবী বাবা-মা

ঢাকা শহরের অধিকাংশ বাবা-মা সন্তানকে স্কুলে দিয়ে অফিসে যান। আবার ফেরার সময় স্কুল থেকে নিয়ে থেকে বাসায় ফেরেন। কোনো কোনো ক্ষেত্রে অফিসের মাঝের বিরতিতে সন্তানকে স্কুল থেকে বাসায় রেখে যান।

কিন্তু অনলাইন ক্লাস চালু করায় সন্তানকে বাড়িতে রেখে যেতে হবে। সঙ্গে তাকে মোবাইল বা ল্যাপটপের মতো ডিভাইস দিয়ে যেতে হবে। শিশু শিক্ষার্থীদের হাতে এ ধরনের ডিভাইস দিয়ে অফিসে গিয়ে কাজে মনোযোগ দেওয়াটা দুষ্কর হবে বলে মনে করেন কর্মজীবী বাবা-মা।

ভিকারুননিসা নূন স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীর অভিভাবক রোকসানা খাতুন। তিনি পেশায় চিকিৎসক। তার স্বামী আহমেদ শাকিরও চিকিৎসক। এ চিকিৎসক দম্পতি জাগো নিউজকে জানান, আমরা দুজন দুটি পৃথক হাসপাতালে চাকরি করছি। দুজনই সরকারি চাকরিজীবী। হাসপাতালে ডিউটি শেষে প্রাইভেট ক্লিনিকে বসি। বাচ্চাকে মোবাইল ফোন দেওয়া হয় না। এখন আমরা দুজনই বাইরে থাকবো, আর বাচ্চা মোবাইল ফোন নিয়ে বাসায় ক্লাস করবে, নাকি অন্য কোনো ক্ষতিকর কিছুতে আসক্ত হবে; তা নিয়ে টেনশনে তারা।

ভিকারুননিসার আরেক অভিভাবক আঞ্জুমান আরা বলেন, ‘আমাদের দুই সন্তান। ওদের বাবা ব্যবসা করেন। সকালে বের হন, ফিরতে রাত হয়। মাঝে মাঝে ঢাকার বাইরেও যেতে হয় তাকে। আমি চাকরিজীবী। দুই সন্তানের একজন ক্লাস থ্রি আরেকজন ক্লাস ফাইভে পড়ে। দুজনই এখনও অবুঝ। ওদের হাতে মোবাইল দিলেও ঠিকমতো চালিযে ক্লাস করতে পারবে কি না সেটা যেমন ভাবার বিষয়, তেমনি নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কায় থাকতে হবে। করোনাকালের পরিস্থিতি ভিন্ন ছিল। তখন সবাই বাসায় থাকতো, অনলাইন ক্লাস হলেও সমস্যা ছিল না। কিন্তু এখন অনলাইন ক্লাসের কোনো যৌক্তিকতা নেই।’

উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজের এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক সাব্বির আহমেদ সরকারকে উদ্দেশ্য করে বলেন, শিক্ষার্থীদের আর ক্ষতি করবেন না। করোনাভাইরাসের মধ্যে অনলাইন ক্লাস, অটোপাস দিয়ে তিন-চারটা বছর পার হয়েছে। ওই সময় কিছুই শিখতে পারেনি। আমার ছেলে ক্লাস ফাইভ পর্যন্ত করোনাকালে কিছু শেখেনি। আবার অনলাইনে ক্লাসের নামে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করার পক্ষে নই আমি।

অনলাইন ক্লাসে অভ্যস্ত নয় নামি স্কুলের শিক্ষকরাও

শিক্ষামন্ত্রী ঢাকার নামি কয়েকটি স্কুলের নাম উল্লেখ করে সেগুলোতে প্রাথমিকভাবে অনলাইন ক্লাস চালু করতে চান বলে জানিয়েছেন। অথচ মন্ত্রীর ঘোষিত নামি স্কুলের শিক্ষকরাও অনলাইন ক্লাসে অভ্যস্ত নয় বলে জানিয়েছেন। পাশাপাশি স্কুলগুলোতেও অনলাইন ক্লাস নেওয়ায় যথেষ্টা সুযোগ-সুবিধা নেই বলে জানান শিক্ষকরা।

ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বসুন্ধরা শাখার একজন শিক্ষক নাম প্রকাশ না করে জাগো নিউজকে বলেন, ‘মন্ত্রী সব বক্তব্যে সবার আগে ভিকারুননিসায় অনলাইন ক্লাস চালুর বিষয়টি তুলে ধরছেন। কিন্তু আমাদের কয়টি শ্রেণিকক্ষে অনলাইন ক্লাস নেওয়ার উপযোগী ইক্যুপমেন্ট আছে? উনি কি জানেন? নাকি উনাকে আমাদের প্রিন্সিপাল ম্যাম লুকিয়েছেন?’

তিনি বলেন, ‘আগামী সপ্তাহ থেকে কীভাবে শিক্ষকদের দিয়ে প্রত্যেক ক্লাসে যে ৫৫-৬০ জন শিক্ষার্থী; তাদের একসঙ্গে অনলাইনে ক্লাস করাবো? কোন অ্যাপে ৬০ জনকে যুক্ত করা হবে? যদি ৫-১০টা বাচ্চা যুক্ত হতে না পারে, তাদের আপনি কীভাবে শেখাবেন। তারা তো বৈষম্যের শিকার হবে। প্রকৃত অর্থে ভিকারুননিসায়ও অনলাইনে ক্লাস নেওয়ার পরিস্থিতি নেই। অনলাইন ক্লাস নিলে অর্ধেক শিক্ষার্থীই ক্লাসে যুক্ত হতে পারবে না।’

অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত ‘বাজে’, বাংলাদেশে ‘কার্যকর নয়’

অনলাইন ক্লাসের পক্ষ নন শিক্ষাবিদরাও। ডিভাইস সংকট, ইন্টারনেট সংযোগের অপ্রতুলতায় খোদ শহরের শিক্ষার্থীদেরও অনলাইনে ক্লাস করার সক্ষমতা নেই বলে মনে করেন তারা। পাশাপাশি শিশুদের আসক্তিসহ পড়াশোনায় অমনোযোগী হয়ে ওঠাসহ বিভিন্ন কারণ দেখিয়েছেন তারা।

গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরী অনলাইন ক্লাসের এ সিদ্ধান্তকে সরকারের ‘বাজে কাজ’ বলে মন্তব্য করেন। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ‘সংকট আছে, সেটা ঠিক। কিন্তু শিক্ষাকে কেন সংকুচিত করার পথে হাঁটতে হবে। শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের প্যানিকের মধ্যে ফেলে দিচ্ছেন। তাদের জান যায় যায় অবস্থা। শিক্ষকরা প্রশিক্ষিত নন। তাদের হাতেও ডিভাইস নেই। তারাও চান না এটা। অনলাইন ক্লাসটা কেউই চান না। তারপরও সরকার অতিউৎসাহী হয়ে চালু করতে যাচ্ছে। প্রায় শতভাগ অভিভাবক এ সিদ্ধান্তকে খারাপ বলছে। সরকারের উচিত এ থেকে সরে আসা।

প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার উন্নয়নে সম্প্রতি গঠিত পরামর্শক কমিটির প্রধান হিসেবে কাজ করেন অধ্যাপক ড. মনজুর আহমদ। তিনি বলেন, শিক্ষার ক্ষেত্রে অনেক দেশই আপৎকালীন পরিস্থিতিতে অনলাইন ক্লাস চালু করে এটা ঠিক। কিন্তু করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে অনলাইন ক্লাস চালুর পর সেই অভিজ্ঞতা ভালো নয়। আমরা দেখেছি আমাদের দেশে এটা খুব একটা কার্যকর নয়। ওই সময়ে শিক্ষার্থীদের একটা বড় শিখন ঘাটতি তৈরি হয়েছিল।

করণীয় সম্পর্কে অধ্যাপক মনজুর আহমদ বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সময় কিছুটা পরিবর্তন করা যেতে পারে। সকালে ক্লাস হলে আবহাওয়া ঠান্ডা থাকবে। এতে বৈদ্যুতিক পাখা, এসি কম চালানোর প্রয়োজন পড়বে। ছুটির দিন পরিবর্তন করেও ক্লাস নেওয়া যেতে পারে।

জানতে চাইলে শিক্ষাসচিব আবদুল খালেক জাগো নিউজকে বলেন, শিক্ষামন্ত্রী আজও বলেছেন যে, কারও ওপর এটা চাপিয়ে দেওয়া হবে না। তবে আমাদের আপৎকালীন সময়ের জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে। সেজন্য আমরা ঢাকা শহরের সবচেয়ে নামি কয়েকটি নির্বাচিত স্কুলে এটা চালুর চেষ্টা করছি। স্কুলগুলো তাদের সমস্যা ও সংকট জানিয়েছে। সেগুলো আমরা সমাধান করেই তারপর অনলাইন ক্লাস চালু করবো। কেউ এখানে বঞ্চিত বা চাপের মুখে পড়বে বলে আমরা মনে করি না।

এএএইচ/এসএইচএস