মিরসরাইয়ের বারইয়ারহাট যাওয়ার উদ্দেশ্যে দুপুর আড়াইটায় চট্টগ্রাম নগরীর মাদারবাড়ি ছাড়ে চয়েস পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস। বিকেলে ৫টা ৫৫ মিনিটে নিজামপুর কলেজ এলাকায় আসার পর তেল শেষ হওয়ায় বন্ধ হয়ে আটকে যায় বাসটি। এরপর সব যাত্রী বাস থেকে নামিয়ে দেওয়ায় দুর্ভোগ পোহাতে হয় তাদের।
বাসের যাত্রী জাফর উদ্দিন বলেন, বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটার দিকে মাদারবাড়ি থেকে বারইয়ারহাট উদ্দেশ্যে বাসটি ছাড়ে। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানজটের কারণে ৩ ঘণ্টা ২৫ মিনিটে নিজামপুর কলেজ এসে তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় আটকে যায়। অথচ মাদারবাড়ি থেকে নিজামপুর যেতে বড়জোর সময় লাগে দেড়ঘণ্টা।
বাসের চালক মুসলিম উদ্দিন জানান, পাম্পে ঠিকমত তেল পাওয়া যাচ্ছে না। বিভিন্ন পাম্প থেকে সামান্য তেল নিয়ে গাড়ি চালাতে হচ্ছে। বৃহস্পতিবার মাদারবাড়ি থেকে বারইয়ারহাট যাওয়ার পথে নিজাপুর এলাকায় আটকে যায়। কিছু করার নেই। পর্যাপ্ত তেল না থাকায় এ অবস্থা হয়েছে।
এদিকে বৃহস্পতিবার সাপ্তাহিক ছুটি হওয়ায় সড়কে গাড়ি ও যাত্রীর চাপ বেড়ে যায়। কিন্তু মহাসড়কের চট্টগ্রাম সিটি গেট থেকে বারইয়ারহাট পর্যন্ত বিভিন্ন পাম্পে থেকে তেল নিতে গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকায় মাইলের পর মাইল যানজট দেখা যায়।
বারইয়ারহাট থেকে মিরসরাই সদরে যাওয়া যাত্রী ফখরু উদ্দিন বলেন, সড়কের সীতাকুণ্ড অংশের প্রতিটি পাম্পের সামনে যানজট। ৪০ মিনিটের পথ যেতে প্রায় আড়াই ঘণ্টা লেগেছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, মিরসরাই ও সীতাকুণ্ড উপজেলার সব ফিলিং স্টেশনের সামনে তেলের জন্য গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। কোনো কোনো গাড়ি দুই থেকে তিন ঘণ্টাও দাঁড়িয়ে ছিল। এতে ফিলিং স্টেশনের আশপাশে কয়েক কিলোমিটারজুড়ে যানজট দেখা দিয়েছে।
কুমিরা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জাকির রাব্বানি বলেন, পাম্পের কারণে কিছু অংশে যানজট হয়েছে। এছাড়া বৃহস্পতিবার হওয়ার কারণে সড়কে গাড়ির চাপ কিছুটা বেড়েছে। আমরা যানজট নিরসনে কাজ করে যাচ্ছি।
এম মাঈন উদ্দিন/এএইচ/জেআইএম