জাতীয়

চট্টগ্রাম বিমানবন্দর এখন অনেক বেশি যাত্রীবান্ধব: পরিচালক আলমগীর

চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি যাত্রীবান্ধব বলে জানিয়েছেন বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন শেখ আব্দুল্লাহ আলমগীর।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) চট্টগ্রাম বোট ক্লাবে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘প্রত্যাশী’র আয়োজনে অভিবাসীদের কল্যাণ ও সেবাবিষয়ক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রত্যাশীর নির্বাহী পরিচালক মনোয়ারা বেগমের সভাপতিত্বে সেমিনারে গ্রুপ ক্যাপ্টেন আলমগীর বলেন, যাত্রীসেবায় সাম্প্রতিক নানা উদ্যোগের ফলে বিমানবন্দরে অভিযোগের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, প্রবাসী যাত্রীদের বিদেশে ভাষাগত প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা এবং বিমানবন্দরে বিদেশগামীদের জন্য কাউন্সেলিং বা মনোসামাজিক সহায়তা জোরদার করা প্রয়োজন।

বিমানবন্দরে গৃহীত সাম্প্রতিক উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে তথ্য সহায়তা কেন্দ্র চালু, ফ্রি ওয়াইফাই জোন সম্প্রসারণ, বিনামূল্যে টেলিফোন বুথ, অসুস্থ যাত্রীদের জন্য জরুরি অ্যাম্বুলেন্স সেবা, নারী-পুরুষের পৃথক নামাজকক্ষের মানোন্নয়ন, ব্রেস্টফিডিং কর্নার, ‘মিট অ্যান্ড গ্রিট’ সার্ভিস, হেল্প ডেস্ক উন্নয়ন এবং অনলাইন রেন্ট-এ-কার সেবা চালু করা।

এসময় নিরাপদ অভিবাসনে প্রত্যাশী’র কার্যক্রমের প্রশংসা করে প্রবাসী যাত্রীদের কল্যাণে তাদের কার্যক্রম আরও বিস্তারের আহ্বান জানান তিনি।

সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য দেন হেলভেটাস বাংলাদেশের অ্যাডভোকেসি এক্সপার্ট শামায়লা মাহবুব। সঞ্চালনা করেন প্রত্যাশীর প্রজেক্ট ম্যানেজার বশির আহম্মদ মনি।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিমানবন্দরের স্টেশন এয়ার ট্রাফিক অফিসার (উপপরিচালক, এটিএম) সাধন কুমার মহন্ত, স্টেশন কমিউনিকেশন অফিসার (উপপরিচালক, সিএনএস) মোহাম্মদ উল্লাহ, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহফুজা জেরিন, এনএসআইয়ের উপপরিচালক আরিফ আহমেদ, জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসের সহকারী পরিচালক মহেন্দ্র কুমার চাকমা, প্রবাসীকল্যাণ সেন্টারের সহকারী পরিচালক আতিকুল আলমসহ অন্যরা।

সেমিনারে বিমানবন্দরের চলমান বিভিন্ন সেবার ওপর উপস্থাপনা দেন জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল। প্রত্যাশীর সিমস প্রকল্প বিষয়ে ধারণা তুলে ধরেন জেলা সমন্বয়কারী রশিদা খাতুন ও প্রজেক্ট অফিসার মো. নওশাদ।

অনুষ্ঠানে সিভিল এভিয়েশন, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা, এয়ারলাইন্স, এনজিও ও অভিবাসী কর্মীদের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়ে মতামত ও পরামর্শ দেন।

এমআরএএইচ/এমকেআর