ঢ্যাঁড়শ যতই পুষ্টিগুণে ভরপুর হোক, তার পিচ্ছিল ভাবের কারণে অনেকেই এই সবজিটি খেতে চান না। কিন্তু একটু কৌশল আর যত্ন নিয়ে রান্না করলে এই সাধারণ ঢ্যাঁড়শই হয়ে উঠতে পারে অসাধারণ সুস্বাদু এক স্ন্যাকস।
ভাবছেন ঢ্যাঁড়শ দিয়ে আবার বিকেলের চায়ের আড্ডা জমে? অবাক হওয়ার কিছু নেই! ঠিকভাবে ভাজা হলে ঢ্যাঁড়শ হতে পারে দারুণ কুড়মুড়ে, মচমচে আর মুখরোচক। একবার খেলে বেগুনি, পাকোড়া বা আলুর চপের মতো জনপ্রিয় নাস্তার সঙ্গেও পছন্দ হতে পারে এই ভাজা ঢ্যাঁড়শ। স্বাদে এনে দেয় একেবারে নতুন মাত্রা।
তাই এবার বিকেলের নাস্তার তালিকায় একটু ভিন্ন কিছু রাখতে চাইলে, ঢ্যাঁড়শ ভাজা একবার ট্রাই করতেই পারেন। স্বাদে যেমন ভিন্নতার দিক থেকেই এটি হতে পারে পারফেক্ট চয়েস।
আসুন জেনে নেওয়া যাক মুচমুচে ঢ্যাঁড়শ ভাজা কীভাবে তৈরি করবেন-
ঢ্যাঁড়শ প্রথমে ভালোভাবে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিন। এরপর একটি শুকনো কাপড় দিয়ে পানি পুরোপুরি মুছে শুকিয়ে নিতে হবে, যাতে ভাজার সময় পিচ্ছিল ভাব কমে যায়। তারপর ঢ্যাঁড়শ পাতলা গোল বা লম্বা ফালি করে কেটে নিন, আপনার পছন্দ অনুযায়ী।
একটি পাত্রে কাটা ঢ্যাঁড়শের সঙ্গে প্রয়োজনীয় সব উপকরণ একসঙ্গে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন, যাতে মসলা প্রতিটি টুকরোর সঙ্গে ভালোভাবে লেগে যায়।
এবার একটি কড়াইয়ে পরিমাণমতো তেল গরম করুন। তেল গরম হলে সব ঢ্যাঁড়শ একসঙ্গে না দিয়ে অল্প অল্প করে ভাজতে হবে, যাতে এগুলো ভালোভাবে কুড়মুড়ে হয়। মাঝারি আঁচে ধীরে ধীরে ভেজে নিন। এবং মাঝে মাঝে উল্টেপাল্টে দিন।ঢ্যাঁড়শগুলো সোনালি রং ধারণ করে মুচমুচে হয়ে এলে নামিয়ে নিন। ওপরে চাট মসলা ছিটিয়ে দিন। এবার গরম গরম ভাতের সঙ্গে এই মুচমুচে ঢ্যাঁড়শ ভাজা পরিবেশন করুন।
টিপস১. মসলা বা ব্যাটারের সঙ্গে মেশানোর পর বেশি সময় রেখে না দিয়ে সঙ্গে সঙ্গেই ভেজে নিতে হবে। না হলে ঢ্যাঁড়শ নরম হয়ে গিয়ে মুচমুচে হবে না।
২. ভাজার পর ঢ্যাঁড়শ বেশি সময় রেখে দেওয়া ঠিক না। ১৫-২০ মিনিটের মধ্যে পরিবেশন করতে চেষ্টা করুন ।
৩.ভাজার পর তেল থেকে তুলে টিস্যু পেপারের ওপর রাখুন, এতে অতিরিক্ত তেল শুষে যাবে এবং ঢ্যাঁড়শ আরও হালকা ও ক্রিস্পি থাকবে।
আরও পড়ুন:রাইস পাকোড়ার সহজ রেসিপি স্বাস্থ্যকর মিষ্টি আলুর টিক্কি বানাবেন যেভাবেএসএকেওয়াই