প্রবাস

স্বাস্থ্যখাতে স্বাধীন তদন্ত ও প্রযুক্তিই হতে পারে উত্তরণের পথ

ঢাকার শিশুদের কান্না আর গ্রামের মায়েদের দীর্ঘশ্বাস, এই নীরব শব্দগুলোই এখনো প্রতিধ্বনি করছে দেশের মনোজগতে সাম্প্রতিক হাম (মিজলস) প্রাদুর্ভাব, যেখানে মাত্র এক মাসে শতাধিক শিশু প্রাণ হারিয়েছে এবং হাজারেরও বেশি শিশু আক্রান্ত হয়েছে, তা প্রমাণ করেছে যে বাংলাদেশের টিকা ব্যবস্থাপনা আজ কেবল রোগ প্রতিরোধের হাতিয়ার নয়, এটি একটি জীবনের মূল্যবান জনস্বাস্থ্য পরীক্ষার মঞ্চ।

এই পরীক্ষায়, যদি সরকারের মূল প্রতিশ্রুতি, প্রশাসনিক দক্ষতা, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং মানুষের প্রতি মানবিক দায়িত্ব পরিমাপ করা হয়, তাহলে ফলাফলটি হবে উদ্বেগজনক। সারাদেশের শিশু, মায়েরা, প্রবীণরা আজ নীরব হুমকির মুখে দাঁড়িয়ে আছেন, কারণ টিকা কার্যক্রম প্রায় স্থগিত, মজুদ নেই বা খুব কম এবং কেন্দ্রীয় পর্যায়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নে বিভ্রাট দেখা দিয়েছে।

গভীর সংকটের মুখে কর্তৃপক্ষ কতটা প্রস্তুত ছিল?

বাংলাদেশ বছর দশেক ধরে সফলভাবে টিকাদান কর্মসূচি চালিয়েছে। ১৯৭৯ সালে মাত্র ২ শতাংশ থেকে আজ ৮১.৬ শতাংশ পর্যন্ত সন্তোষজনক অগ্রগতি হয়েছে। তবে এই কভারেজের ভেতর অন্তত ৪ লাখ শিশু এখনো সম্পূর্ণ টিকাযুক্ত নয়, এবং প্রায় ৭০ হাজার শিশু কোনো টিকা পায়নি, এটি স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের কাছে বড় উদ্বেগের বিষয়।

ঘাটতি এবং সংগঠনিক বিভ্রাট

করোনাকালীন ও পরবর্তী সময়ে পরিকল্পনায় বিরতি, ইপিআই কর্মসূচির অপারেশনাল প্ল্যান (ওপি) স্থগিত, সরবরাহ ব্যবস্থার জটিলতা এবং স্বাস্থ্যকর্মী সংকট, এসব মিলিয়ে টিকা বিতরণ প্রক্রিয়া ক্রমশ ঠেকছে। প্রায় ৪০ শতাংশ ভ্যাকসিনেশন পোস্ট শূন্য এবং কেন্দ্রীয় পর্যায়ে ৪৩ শতাংশ পদ এখনও পূরণ করা হয়নি, এটি একটি কার্যকর জনস্বাস্থ্য কাঠামো চলমান রাখার জন্য গুরুতর সংকেত।

এখানে শুধু সংখ্যা নয়, মানবিক পরিণতি আছে: গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলে টিকা না পেয়ে শিশুরা অসুস্থ হচ্ছে, হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে এবং প্রিয়জনদের চোখের সামনে জীবনের আলো নিভে যাচ্ছে।

এই সংকট শুধু স্বাস্থ্য বিভাগের ব্যর্থতা নয়; এটি একটি দীর্ঘস্থায়ী সাংগঠনিক ত্রুটি, দুর্নীতি ও সদিচ্ছার অভাবের প্রতিফলন, যেখানে সময়মতো সিদ্ধান্ত, পর্যাপ্ত মজুদ ও কার্যকর সমন্বয় নেই।

টিকা ও রোগ প্রতিরোধ: বাংলাদেশের নাগরিক জীবনের রক্ষাকবচ কি ভঙ্গুর?

টিকা মানবজীবনের অন্যতম রক্ষাকবচ, যা সমাজে রোগের আগ্রাসন ঠেকায় এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে শক্ত রাখে। হাম, পোলিও, ডিফথেরিয়া, টিটেনাস, হেপাটাইটিস—এই রোগগুলোতে টিকাদানই একমাত্র মিত্র, একমাত্র নিরাপত্তা। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, বাংলাদেশের মতো ঘনবসতিপূর্ণ দেশে টিকাদানের সময়মতো শেষ ডোজ না পৌঁছানো, মজুদের অভাব ও সংগঠনিক ফাঁক-ফোকর শিশুদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা ভেঙে দিয়ে তাদের প্রাণকেন্দ্রিক ঝুঁকিতে ফেলছে। প্রচলিত তথ্যমতে পূর্ণ টিকাদান কভারেজ থাকলেও প্রায় ৪ লাখ শিশু এখনও সম্পূর্ণ টিকা পাননি এবং কয়েক হাজার শিশু এখনো আংশিক টিকাপ্রাপ্ত; এই গ্যাপগুলোই বর্তমানে হামের মতো সংক্রামক রোগের পুনরুত্থানে সহায়তা করছে।

একটি সামান্য ব্যবস্থাগত ব্যর্থতা, যেমন টিকা মজুদের গাফিলতি বা সময়মতো ডোজ না পৌঁছানো, সে কোনো ‌‘ছোট ভুল’ নয়। সাম্প্রতিক হাম মহামারি, যেখানে এক মাসের কম সময়েই ১০০-এর বেশি শিশুর মৃত্যু ঘটেছে এবং হাজারেরও বেশি শিশু আক্রান্ত হয়েছে, তা স্পষ্ট করে দিয়েছে যে প্রতিটি অনিয়ম, প্রতিটি অধ্যায় ভুলে শিশুদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কমে যাচ্ছে এবং মহামারির আশঙ্কা দিনে দিনে বেড়ে উঠছে।

রোগ বিস্তারের কারণগুলো: একটি জটিল বাস্তব চিত্র

প্রতিটি মৃত শিশুর পেছনে সহজ কারণ নেই; এখানে জটিল বহু কারণ আছে, যার মধ্যে: • অপর্যাপ্ত টিকাদান ও পরিকল্পনা: নিয়মিত কর্মসূচি ও বিশেষ টিকা উদ্যোগের মধ্যে বিরতি রোগ প্রতিরোধ কাঠামোকে দুর্বল করেছে। বিশেষ করে গত কয়েক বছরে বড় টিকা ক্যাম্পেইন না হওয়ায় আগের মতো শক্ত ইমিউনিটি গড়ে ওঠেনি।• জনসংখ্যার ঘনত্ব ও অপুষ্টি: তরুণ শিশুদের মধ্যে পুষ্টিহীনতা ইমিউনিটি কমায়, রোগের প্রাদুর্ভাবের ঝুঁকি বাড়ায়।• স্বাস্থ্যসেবার সীমাবদ্ধতা: টিকা কেন্দ্রগুলোতে ভ্যাকসিন না থাকলেই শিশুর পরিবারগুলোকে ঘুরে বেড়াতে হয়; অনেক সময় সুবিধা মিলেও সময়মতো ডোজ পায় না। • দুর্নীতি ও সিন্ডিকেটের ছায়া: সরবরাহ শৃঙ্খল সরল না থাকায় অসংগতি ও গড়বড়ের সুযোগ তৈরি হয়, যা সেবায় বিলম্ব ও টিকা পৌঁছাতে বাধা সৃষ্টি করে। • জনসচেতনতার অভাব: অনেক অভিভাবক প্রথম ডোজ পেলেই চিন্তামুক্ত থাকেন; কিন্তু ডাক্তাররা বলছেন, ডোজ ছেদ ঘটলে রোগের বিরুদ্ধে সমগ্র নিরাপত্তাজাল ভঙ্গুর হয়ে যায়। • সরবরাহ ও তথ্য ব্যবস্থার দুর্বলতা: সারাদেশে ছড়িয়ে থাকা শিশুদের টিকাদান ইতিহাসের তথ্য সঠিকভাবে সংরক্ষণ না হলে কোন শিশুর কোন ডোজ বাকি তা জানাও কঠিন হয়ে দাঁড়ায়।

আগাম পদক্ষেপের জরুরি কারণ: বাংলাদেশ কেন এক নিঃশব্দ সংকটের মুখোমুখি?

বাংলাদেশে জনসংখ্যার চাপ, পরিবেশগত ঝুঁকি ও স্বাস্থ্যব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা, এই তিনটির সমন্বয়ে একটি সংকট তৈরি হয়েছে, যা দীর্ঘদিন অবহেলিত থাকলে দেশকে সংক্রামক রোগের পুনরুত্থান ও প্রাণহানির ঝাঁপটা ধরা অবস্থার দিকে ঠেলে দিতে পারে। শুধু সংখ্যাটুকু নয়, এই সংকটের পেছনে সামাজিক ও প্রশাসনিক দুর্বলতার বাস্তব চিত্রও রয়েছে।

বাংলাদেশের মতো বিশ্বে অন্যতম ঘনবসতিপূর্ণ দেশে প্রতিটি পরিবার, প্রতিটি শিশু, প্রতিটি প্রান্তিক এলাকা, সবাইকে টিকাদানের আওতায় আনতে বিশাল উদ্যোগ প্রয়োজন। কিন্তু বাস্তবতা হলো: • দক্ষ জনশক্তি থাকা সত্ত্বেও প্রশাসনিক দুর্বলতা প্রকৃত সমাধানের পথকে বারবার ব্যাহত করছে, যেখানে সিদ্ধান্তগ্রহণ ও বাস্তবায়নের মাঝে ইচ্ছাশক্তি ও কর্মদক্ষতার ফাঁক বিরাজমান। • দুর্নীতি ও সিন্ডিকেটের ছায়া টিকাদান ও সরবরাহ শৃঙ্খলে অসঙ্গতি তৈরি করছে, যার ক্ষেত্রে কখনো ভ্যাকসিন বিলম্ব, কখনো পরিবহন ব্যবস্থায় গড়ে ওঠা অমিলই বিভিন্ন অঞ্চলে টিকা পৌঁছাতে ব্যর্থতা সৃষ্টি করছে। • জবাবদিহিতার ঘাটতি প্রশাসনিক ভুল, দেরি বা অ-নজরদারি কোথায় হচ্ছে, তা জানতে এবং সংশোধন করতে বাধা সৃষ্টি করছে, এটিই আজকের সংকটের বড় অন্তর্হিত কারণ।

এই সব মিলিয়ে পরিস্থিতি শুধু ‘জটিল’ নয়, বরং এক আগাম পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা, যার প্রতিটি দিক এখনই শক্ত হাতে নেওয়া উচিত। নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার উপায়: পথের মানচিত্র

প্রতিটি দেশই আজ শিক্ষা নিচ্ছে, শুধু পরিকল্পনা করা নয়, পরিকল্পনাকে বাস্তবে রূপ দেওয়াই বাঁচিয়ে রাখে মানবজীবন। বাংলাদেশকে যদি সত্যিকারের নিরাপদ জনস্বাস্থ্য কাঠামো গড়ে তুলতে হয়, তাহলে নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলোকে আর অভিসন্ধি হিসেবে দেখা যাবে না, এগুলো এখনই বাস্তবায়নযোগ্য অপরিহার্য কর্মসূচি:

১. শক্তিশালী জাতীয় টিকা নীতি প্রণয়ন

একটি সমন্বিত, দীর্ঘমেয়াদি নীতি তৈরি করতে হবে, যা শুধু টিকা কেনা বা বিতরণের হিসাব রাখবে না; তা হবে সম্পূর্ণ টিকা জীবনচক্র ও রোগ প্রতিরোধ পরিকল্পনার একটি রূপরেখা, যাতে স্বচ্ছতা, নিরীক্ষণ ও ফলাফলের মাপ আছে।

২. ডিজিটাল স্বাস্থ্য ও নজরদারি ব্যবস্থা চালু

দেশব্যাপী টিকাগ্রহণ ও রোগের বিস্তারকে একক, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নজরদারি করলে জানতে সহজ হবে কোথায় গ্যাপ আছে, কোন খাতে অগ্রগতি কম, কারা এখনও সুরক্ষিত হয়নি। এটি শুধু তথ্য রাখবে না; এটি হবে অগ্রগতির পথনির্দেশক মানচিত্র।

৩. সরবরাহ ও সংরক্ষণ ব্যবস্থার উন্নয়ন

ভ্যাকসিন স্টককে সঠিকভাবে ট্র্যাক করা, পরিবহনে জট কমানো, টিকা ফ্রিজ বা কোল্ড চেইন ব্যবস্থা সব জায়গায় শক্ত করা—এগুলো রোগ প্রতিরোধের নীরব ঘাতকগুলোকে অচল করে দেবে।

৪. স্বাস্থ্যখাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা

সরকারি ও ব্যক্তিগত খাতে যেসব অনিয়ম, সিন্ডিকেট বা দুর্নীতি আছে, তার বিরুদ্ধে কঠোর নজরদারি ও জবাবদিহিতার কাঠামো তৈরি করতে হবে। তখনই সরকারি প্রচেষ্টা জনমানুষের আস্থা ও অংশগ্রহণে রূপান্তরিত হবে।

৫. গবেষণা ও প্রশিক্ষণে বিনিয়োগ বৃদ্ধি

শুধু টিকা না কিনে, শিক্ষা ও গবেষণা ক্ষেত্রের বিনিয়োগ বাড়ালে রোগের প্রকৃতি, বিস্তার ও প্রতিরোধ কৌশলগুলোর উচ্চ মানের বিশ্লেষণ সম্ভব হবে। এটি ভবিষ্যতের প্রস্তুতিও নিশ্চিত করবে।

৬. জনসচেতনতা ও অংশগ্রহণ বাড়ানো

শিক্ষা আর বার্তা শুধু প্রদর্শনের কথা নয়; তা জনগণের প্রতিদিনের জীবনযাত্রায় ঢুকে যাবে, তখনই রোগ প্রতিরোধ কার্যক্রম সফল হবে, যেন প্রতিটি পরিবারই একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র।

৭. আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় জোরদার করা

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO), ইউনিসেফ (UNICEF), গ্যাভি (Gavi) ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে কার্যকর সমন্বয় হলে শুধু টিকা পাওয়া নিশ্চিত হবে না; বিশ্বমানের পরিকল্পনা, প্রশিক্ষণ ও কার্যকর বাস্তবায়নও সুদৃঢ় হবে।

সরকারের জন্য সুপারিশ: এখনই সময়

শুধু সমস্যাগুলো জানলেই হবে না, এগুলো মোকাবিলার জন্য রাষ্ট্রীয় নেতৃত্বকে নিচের পথগুলো শক্ত হাতে নিতে হবে।

• স্বাস্থ্যখাতে স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠনএকটি শক্ত, রাজনৈতিক প্রভাবহীন কমিশন গঠন করা, যাতে ভুল, গাফিলতি, দুর্নীতি ও সিন্ডিকেটের উৎসগুলো নির্ধারণ করা যায় এবং সংশোধনের রোডম্যাপ তৈরি হয়।

• বাজেট বৃদ্ধি ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারশুধু বেশি টাকা বরাদ্দ নয়, যেটুকু বরাদ্দ হয়, তা অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগতভাবে সঠিক জায়গায় ও সময়মতো খরচ হওয়া নিশ্চিত করতে হবে।

• যোগ্য নেতৃত্ব নিশ্চিত করাশুধুমাত্র পদাধিকারী নয়, দক্ষ, শিক্ষিত, মানবিক ও সতর্ক নেতৃত্ব টিকাদান কর্মসূচির সব স্তরেই প্রয়োজন। নেতৃত্ব দেবে এমন ব্যক্তি নির্বাচিত করতে হবে।

• আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী নীতি প্রণয়নবিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, সুইডেনের মতো দেশগুলোর অভিজ্ঞতা ও আন্তর্জাতিক অঙ্গীকারগুলোকে ভিত্তি করে জাতীয় নীতির কাঠামো গড়ে তুলতে হবে, যেন সেটি শুধু নথিতে না থেকে বাস্তবে কার্যকর হয়।

বাংলাদেশে নিরাপদ স্বাস্থ্য, একটি জাতির দায়িত্ব

মানবজীবনের সুরক্ষা রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ দায়িত্ব। একটি কার্যকর টিকা কর্মসূচি কেবল সংক্রামক রোগ প্রতিরোধের হাতিয়ার নয়; এটি দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিরাপত্তা, সামাজিক স্থিতিশীলতা এবং মানুষের জীবনের মর্যাদা রক্ষার প্রতিশ্রুতি।

বাংলাদেশের জনস্বাস্থ্যকে শক্তিশালী করতে আজ দরকার সৎ নেতৃত্ব, নির্ভরযোগ্য পরিকল্পনা, জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং স্বচ্ছ প্রশাসন। প্রতিটি পদক্ষেপ, প্রতিটি নীতি এবং প্রতিটি কার্যক্রম যেন মানুষের জীবনে বাস্তব সুরক্ষা এবং বিশ্বাসের প্রতিফলন ঘটায়।

সুইডেনের অভিজ্ঞতা, আন্তর্জাতিক মানের নির্দেশনা এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নীতি অনুসরণ করলে দেশটি গড়ে তুলতে পারবে একটি মানবিক, টেকসই ও নিরাপদ স্বাস্থ্যব্যবস্থা, যেখানে রোগ প্রতিরোধ কেবল লক্ষ্য নয়; এটি হবে প্রতিটি শিশুর হাসি, প্রতিটি পরিবারের নিরাপত্তা এবং প্রতিটি নাগরিকের মর্যাদা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি।

একটি নিরাপদ, সুস্থ ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলা হোক আমাদের সম্মিলিত অঙ্গীকার, আমাদের দায়িত্ব এবং আমাদের সময়ের চূড়ান্ত পরীক্ষা।

রহমান মৃধাগবেষক ও লেখক, প্রাক্তন পরিচালক, ফাইজার, সুইডেন।rahman.mridha@gmail.com

এমআরএম