উচ্চমাধ্যমিকে শিক্ষাবর্ষ শুরু হয় জুলাই মাসে। দুই বছরের পাঠ্যক্রমে চলে পড়ালেখা। আর একাদশে ১২ মাস ও দ্বাদশে চলে ১০ থেকে ১১ মাস। অর্থাৎ, একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির পর একজন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় বসার আগ পর্যন্ত প্রস্তুতির জন্য ২২ থেকে ২৩ মাস সময় পান। এরপর তারা বসেন চূড়ান্ত বোর্ড পরীক্ষায়।
কিন্তু এবার ঘটছে ভিন্ন ঘটনা। ২০ মাসের কম সময় প্রস্তুতি নিয়ে এইচএসসি পরীক্ষায় বসতে হচ্ছে তাদের। অথচ পাঁচ বছর পর এবার পূর্ণ সিলেবাসের ওপর তৈরি প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দিতে হবে। দীর্ঘদিন পর উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা পূর্ণ সিলেবাসে ফিরলেও সময় স্বল্পতায় ভালো প্রস্তুতি নিতে পারছেন না শিক্ষার্থীরা। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ এইচএসসি ২০২৬ ব্যাচের পরীক্ষার্থীরা।
শিক্ষক-অভিভাবকরা বলছেন, যেহেতু পাঁচ বছর পর এবার পূর্ণ সিলেবাসে পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে, ফলে প্রস্তুতির জন্য সময় আরও দুই থেকে তিন মাস বাড়ানো উচিত। তা না হলে প্রস্তুতির ঘাটতিতে ফল বিপর্যয় ঘটতে পারে। আর সিলেবাসের সঙ্গে ক্লাস ও প্রস্তুতির সময়ের সামঞ্জস্য থাকা উচিত বলে মনে করেন শিক্ষাবিদরা।
একাদশ-দ্বাদশ মিলিয়ে মাত্র সাড়ে ৬ মাস ক্লাস!এবার যারা এইচএসসি পরীক্ষা দেবেন, তারা ২০২৪ সালে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হন। বিগত বছরগুলোতে জুলাই-আগস্ট মাসে একাদশের ক্লাস শুরু হলেও ২০২৪ সালে শুরু হয় অক্টোবরে। এরপরও কিছুদিন ভর্তি কার্যক্রম চলেছে। ফলে পুরোদমে ক্লাস শুরু হয় নভেম্বর মাসে।
ছুটি বাদ দিলে ২০২৪ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৫ সালের মে পর্যন্ত একাদশ শ্রেণিতে সাড়ে তিন মাসের মতো ক্লাস হয়েছে। এরপর একাদশের চূড়ান্ত পরীক্ষা নেওয়া হয়। দ্বাদশ শ্রেণিতে ক্লাস শুরু হয় জুলাইয়ের শেষদিকে, যা চলে ডিসেম্বর পর্যন্ত। নানান ছুটি ও বন্ধ কাটিয়ে দ্বাদশ শ্রেণিতে ক্লাস হয়েছে তিন মাসের মতো।
আরও পড়ুনবোর্ড পরীক্ষার দীর্ঘ প্রক্রিয়ায় শিক্ষার্থীদের মূল্যবান সময় নষ্ট হচ্ছেফেল করা শিক্ষার্থীরা দুইবারের বেশি সুযোগ পাবে না: শিক্ষামন্ত্রীপাবলিক পরীক্ষার খাতা দেখার আইন সংশোধন হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী
সরকারি বিজ্ঞান কলেজের একজন শিক্ষক নাম প্রকাশ না করে জাগো নিউজকে বলেন, ‘অক্টোবরে ক্লাস শুরু হলেও অনেক শিক্ষার্থী ট্রান্সফার হয়। এ কারণে দেরিতে ক্লাস শুরু হয়েছে। সবমিলিয়ে আমরা ক্লাসে শিক্ষার্থীদের ১৫০ দিনের মতো পেয়েছি। এ স্বল্পসময়ে পূর্ণ সিলেবাস শেষ করা সম্ভব নয়। শিক্ষার্থীদের আরও অন্তত দেড়টা মাস সময় দেওয়া উচিত।’
২০ মাসে পরীক্ষা, ক্ষুব্ধ পরীক্ষার্থীরা২০২৪ সালের ৮ অক্টোবর একাদশ শ্রেণিতে ক্লাস শুরু হয়। আর শিক্ষা বোর্ডের ঘোষণা অনুযায়ী—এবার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হবে আগামী ৭ জুন। সেই হিসাবে ২০ মাসের মতো সময় পাচ্ছেন পরীক্ষার্থীরা। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ তারা।
পরীক্ষার্থীরা বলছেন, বিগত বছরগুলোতে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে পরীক্ষা নেওয়া হলেও ২২-২৩ মাস সময় দেওয়া হতো। কোনো কোনো ক্ষেত্রে পূর্ণ ২৪ মাসই সময় পেয়েছেন পরীক্ষার্থীরা। এবার পূর্ণ সিলেবাসে পরীক্ষা। অথচ সময় দেওয়া হয়েছে ২০ মাস।
ছুটি বাদ দিলে ২০২৪ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৫ সালের মে পর্যন্ত একাদশ শ্রেণিতে সাড়ে তিন মাসের মতো ক্লাস হয়েছে। এরপর একাদশের চূড়ান্ত পরীক্ষা নেওয়া হয়। দ্বাদশ শ্রেণিতে ক্লাস শুরু হয় জুলাইয়ের শেষদিকে, যা চলে ডিসেম্বর পর্যন্ত। নানান ছুটি ও বন্ধ কাটিয়ে দ্বাদশ শ্রেণিতে ক্লাস হয়েছে তিন মাসের মতো
রাজধানীর আহমেদ বাওয়ানী অ্যাকাডেমি স্কুল অ্যান্ড কলেজের পরীক্ষার্থী ইলিয়াস হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমাদের ক্লাস শুরু হয়েছে দেরিতে। সম্পূর্ণ অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যে আমরা ক্লাস করেছি। প্রায়ই আন্দোলনে ক্লাস বন্ধ রাখা হতো। রাজনৈতিক কারণে এবং জাতীয় নির্বাচনের কারণেও ডিসেম্বর, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে তেমন ক্লাস হয়নি। টেস্ট পরীক্ষা নিয়েছে সিলেবাস শেষ না করেই। এখন তড়িঘড়ি করে পরীক্ষার ডেট দিয়ে দিলো। আমাদের জন্য খুবই চাপ হয়ে যাচ্ছে। আমাদের দাবি—অন্তত এক থেকে দেড় মাস পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়া হোক।’
নামি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাও সময় স্বল্পতার কথা বলেছেন। নটর ডেম কলেজের একাদশের একজন শিক্ষার্থী নাম প্রকাশ না করে জাগো নিউজকে বলেন, ‘এবার পুরো সিলেবাসটা পড়তে হচ্ছে। প্রশ্নপত্র হবে যে কোনো জায়গা থেকে। সেই হিসাব করলে অবশ্যই সময় আরও এক মাস বাড়িয়ে দেওয়া উচিত। আমি এবং আমার অনেক সহপাঠীও পূর্ণ প্রস্তুতি নিতে পারিনি। ঘাটতি রয়ে গেছে। যে অংশ বাকি রয়ে গেছে বা ভালো আয়ত্ত করতে পারিনি, সেটা শেষ করতেই দেড়-দুই মাস লেগে যাবে। তাহলে রিভিশন দেবো কখন?’
উদ্বিগ্ন শিক্ষক-অভিভাবকরাপূর্ণ সিলেবাস, কিন্তু সময় স্বল্প, ক্লাসও কম—এমন বাস্তবতায় শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশামতো ফলাফল নিয়ে উদ্বিগ্ন শিক্ষকরাও। অভিভাবকদের উদ্বেগ আরও বেশি। তারা বলছেন, সন্তানরা এইচএসসি পরীক্ষায় ভালো ফল না করলে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় পিছিয়ে থাকবে। এ নিয়ে চিন্তিত তারা।
আরও পড়ুনএইচএসসি পরীক্ষা শুরু হতে পারে ৭ জুনএসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরে না হওয়ায় মূল্যবান সময় নষ্ট হচ্ছেএইচএসসি পরীক্ষা হবে একই প্রশ্নে, কেন্দ্রে থাকবে সিসি ক্যামেরা
ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান শাখার বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রীর অভিভাবক জান্নাত আরা পারভীন। তিনি বলেন, ‘মেয়েটাকে মেডিকেলে পড়াতে চাই। ওর ইচ্ছাও মেডিকেলে ভর্তির। এসএসসিতে গোল্ডেন জিপিএ-৫ আছে, এখন এইচএসসিতে পড়াশোনার সময়টা কম পেয়েছে; সময় কম, ভালো প্রস্তুতিও নিতে পারছে না। উল্টো টেনশন করছে। সরকার সময়টা আরেকটু বাড়িয়ে দিলে ভালো হতো।’
‘এবার পুরো সিলেবাসটা পড়তে হচ্ছে। প্রশ্নপত্র হবে যে কোনো জায়গা থেকে। সেই হিসাব করলে অবশ্যই সময় আরও এক মাস বাড়িয়ে দেওয়া উচিত। আমি এবং আমার অনেক সহপাঠীও পূর্ণ প্রস্তুতি নিতে পারিনি। ঘাটতি রয়ে গেছে। যে অংশ বাকি রয়ে গেছে বা ভালো আয়ত্ত করতে পারিনি, সেটা শেষ করতেই দেড়-দুই মাস লেগে যাবে। তাহলে রিভিশন দেবো কখন?’
ফল বিপর্যয় নিয়ে শঙ্কায় ভিকারুননিসার কলেজ শাখার শিক্ষকরাও। নাম প্রকাশ না করে একজন শিক্ষক জাগো নিউজকে বলেন, ‘বিজ্ঞানের শিক্ষার্থীরা উচ্চতর গণিতসহ কিছু বিষয়ে ভালো প্রস্তুতি নিতে পারেনি। হাতে আর মাত্র দেড় মাস আছে। সময়টা তিন মাস থাকলে ঠিক হতো।’
সিলেবাসের সঙ্গে ক্লাস-প্রস্তুতির সমন্বয় জরুরিশিক্ষাবর্ষ শুরুর আগে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) সিলেবাস করে দেয়। তা অনুসরণ করে পাঠদান করানো হয়। এবার সিলেবাসে ২৪ মাসের ক্লাস ও পড়ালেখার ফিরিস্তি দিলেও ২০ মাস পরই হচ্ছে পরীক্ষা। ছুটি, আন্দোলনসহ নানা কারণে ক্লাসও কম হয়েছে। আবার প্রস্তুতির সময়ও কম। ফলে সিলেবাসের সঙ্গে ক্লাস ও প্রস্তুতির কোনো সমন্বয় নেই। শিক্ষাবিদরা বলছেন, এক্ষেত্রে ভালো সমন্বয় জরুরি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. এস এম হাফিজুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, ‘একটা সিলেবাস ধরে যদি পড়ানো শুরু করা হয়, তাহলে তা ভালোভাবে অনুসরণ করাটা জরুরি। যে সিলেবাস সরকারেরই সংস্থা এনসিটিবি দিচ্ছে, তা পড়ানোর জন্য যদি সরকারই আবার পর্যাপ্ত সময় না দেয়, তাহলে সেটা তো সমন্বয়হীনতা। সিলেবাস, ক্লাস সংখ্যা ও প্রস্তুতির সময়ের এ সমন্বয়টা জরুরি। তাহলে আর কোনো সংকট থাকবে না।’
শিক্ষা বোর্ড-এনসিটিবি ‘চুপ’, মন্ত্রণালয়ের ‘হঠকারিতা’২০২৬ সালের এইচএসসি ব্যাচ প্রস্তুতিতে কম সময় পাচ্ছে, সিলেবাসের সঙ্গে ক্লাসের সমন্বয় নেই কিংবা সময় স্বল্পতা—এসব বিষয়ে কথা বলতে নারাজ ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা। একইভাবে বিষয়টি এড়িয়ে যান জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) কর্মকর্তারাও।
সিলেবাস প্রণয়ন এবং পরীক্ষা গ্রহণে নিয়োজিত এ দুটি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা ইশারা-ইঙ্গিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা ও চাপে এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন বলে জানিয়েছেন। তবে কেউ এ বিষয়ে গণমাধ্যমে কথা বলতে চান না।
আরও পড়ুনএসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরে শেষ করতে চায় সরকারসারাদেশে একই প্রশ্নে এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার ভাবনাপুরোনো স্টাইলে হেলিকপ্টারে এসএসসির পরীক্ষাকেন্দ্র ঘুরবেন শিক্ষামন্ত্রী
ঢাকা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. এস এম কামাল উদ্দিন হায়দারকে বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘পরীক্ষার পূর্ণাঙ্গ রুটিন করছি আমরা। সেটি শিক্ষা মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিলে প্রকাশ করা হবে। আমরা পরীক্ষা আয়োজন করি, প্রশ্নপত্র তৈরি, ফল প্রকাশের কাজ করি। কিন্তু কবে পরীক্ষা শুরু হবে, কীভাবে হবে; কখন ফল প্রকাশ করা হবে—এসব নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত নেয় মন্ত্রণালয়। বিষয়টি তারা ভালো বলতে পারবেন।’
পরীক্ষার পূর্ণাঙ্গ রুটিন করছি আমরা। সেটি শিক্ষা মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিলে প্রকাশ করা হবে। আমরা পরীক্ষা আয়োজন করি, প্রশ্নপত্র তৈরি, ফল প্রকাশের কাজ করি। কিন্তু কবে পরীক্ষা শুরু হবে, কীভাবে হবে; কখন ফল প্রকাশ করা হবে—এসব নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত নেয় মন্ত্রণালয়। বিষয়টি তারা ভালো বলতে পারবেন।- অধ্যাপক ড. এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা
সিলেবাস শেষ হওয়ার আগেই পরীক্ষা গ্রহণের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘সিলেবাস দেয় এনসিটিবি। সেটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পৌঁছে দেয় মাউশিসহ অন্যান্য অধিদপ্তর। আমাদের কাছেও সিলেবাস পাঠানো হয়। সেই সিলেবাস অনুসরণ করে আমরা প্রশ্নপত্র তৈরি করি। এর বাইরে আমাদের কিছু করার থাকে না।’
পূর্ণ সিলেবাস, অথচ প্রস্তুতির সময় কম—এ ধরনের সমন্বয়হীনতার বিষয়ে এনসিটিবির উচ্চমাধ্যমিক শাখার ঊর্ধ্বতন বিশেষজ্ঞ মোহাম্মদ আবু জাফরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে কথা বলতে চাননি। বিষয়টি নিয়ে আরেকজন কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলতে পরামর্শ দেন আবু জাফর।
আরেক ঊর্ধ্বতন বিশেষজ্ঞ ড. প্রবীর চন্দ্র রায় জাগো নিউজকে বলেন, ‘পূর্ণাঙ্গ সিলেবাস তৈরি করে সেটা শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাউশিকে আমরা দিয়েছিলাম। সেটার আলোকে ক্লাস, পড়াশোনা এবং পরীক্ষা হওয়ার কথা। এখন ২৪ মাসের পড়ালেখার সিলেবাস যদি ২০ মাসে শেষ করা হয়, তাহলে ঘাটতি থাকবেই। এটা তো বলার অপেক্ষা রাখে না। কিন্তু এ সিদ্ধান্তগুলো নেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়, এটা তাদের এখতিয়ার। এখানে আমাদের করণীয় কিছুই নেই।’
কম ক্লাস, সময় স্বল্পতাসহ সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষা সচিব আবদুল খালেক জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমরা এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় যে বাড়তি সময় লাগে, তা কমিয়ে আনার বিষয়ে কাজ করছি। এসএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরেই নিতে চাইছি। আবার এইচএসসি পরীক্ষা জুনেই নিতে চাইছি। এটা শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশনা। আগামীতে এভাবেই করা হবে। তবে এবারের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের সময় কম পাওয়ার বিষয়টি যদি সত্য হয়, তাহলে বিবেচনা করে দেখা হবে। শিক্ষামন্ত্রীসহ যারা এটা নিয়ে কাজ করছেন, তাদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
এএএইচ/ইএ