শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলার কোদালপুর ছৈয়াল পাড়া গ্রামে তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূ রানি বেগমকে (২৭) হত্যার ঘটনায় ৭ জনকে আসামি করে মামলা করেছেন নিহতের বাবা আহসান উল্লাহ সরকার। বুধবার সকালে গোসাইরহাট থানায় মামলা না নেয়ায় অবশেষে শরীয়তপুর চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বাদী এ মামলা দায়ের করেন।জানা গেছে, গত ১০ জুন রাতে স্বামী গনি মিয়ার সঙ্গে রানি বেগমের যৌতুক নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে ঝগড়া লাগে। ঝগড়ার সময় গনি মিয়া রানির পেটে লাথি মারলে রক্তক্ষরণ হয়ে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান। পরে স্বামী গনি মিয়া, শাশুড়ি সুফিয়া বেগম এবং দেবর হাসেম ও সোহাগ মিলে রানিকে ঘরের আড়ায় রশি দিয়ে ঝুলিয়ে রেখে পালিয়ে যান। স্থানীয়রা বিষয়টি থানায় জানালে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে। কিন্তু নিহতের বাবা মো. আহসান উল্লাহ সরকার গোসাইরহাট থানায় মামলা করতে গেলে থানায় মামলা না নেয়ায় অবশেষে তিনি গনি মিয়া গাজী (৩৫), সুফিয়া খাতুন (৬০), হাসেম গাজী (৩০), সোহাগ গাজী (২৫), সুরুজ মিয়া (৩৫), জহু মোল্যা, ফজর আলী (৩৮) ও ছাবিনা বেগমকে (৩৪) আসামি করে শরীয়তপুর চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন।এ ব্যাপারে রানি বেগমের বাবা মো. আহসান উল্লাহ সরকার বলেন, আমার মেয়েকে যৌতুকের জন্য ওরা মেরে ফেলেছে। আমি বিচার পাওয়ার জন্য গোসাইরহাট থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ আমার মামলা নেয়নি। তাই শরীয়তপুর কোর্টে মামলা করেছি। আমি আমার মেয়ে হত্যার বিচার চাই। গোসাইরহাট থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোফাজ্জল হোসেন বলেন, এ ব্যাপারে একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। ছগির হোসেন/এফএ/এবিএস