নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার কালাপাহাড়িয়ায় আওয়ামী লীগ কর্মী লাল মিয়া হত্যা মামলার রায়ে ৩১ জনকে খালাস প্রদান করেছেন আদালত। তবে আদালতের রায়ে নিহতের পরিবার অসন্তোষ প্রকাশ করলেও হত্যাকাণ্ডে তদন্ত পুলিশের প্রতিবেদনকেই দায়ী করেছেন তারা।মঙ্গলবার বিকেলে ১৭ জন আসামির উপস্থিতিতে নারায়ণগঞ্জ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মিয়াজী শহিদুল আলম চৌধুরী এ রায় ঘোষণা করেন।এদিকে হত্যা মামলার আসামিদের খালাস প্রদান করায় বাদী পক্ষ ক্ষুব্ধ মনোভাব প্রকাশ করেন এবং মামলার তদন্তকালে স্থানীয় এমপির হস্তক্ষেপে পুলিশ অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধে দায়সারা প্রতিবেদন দাখিল করেছিল বলে অভিযোগ করেন। এতে করে আদালত মামলার রায়ে আসামিদের খালাস দিতে বাধ্য হয়েছেন বলেও নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে এমনটাই অভিযোগ করা হয়। আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) এম এ রহিম জানান, আড়াইহাজার উপজেলার কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের কদমীরচর এলাকায় ২০১০ সালের ২৩ মার্চ ভোরে মৃত তালেব আলীর ছেলে আওয়ামী লীগ কর্মী লাল মিয়াকে কুপিয়ে হত্যা করে স্থানীয় সন্ত্রাসী কালাম, ডালিম, রুকু মিয়া জসু, সিদ্দিক, আলমসহ তাদের লোকজন। এ ঘটনায় লাল মিয়ার ভাই মামলা দায়ের করলে পুলিশ তদন্ত করে ৩১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এ মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের খালাশ প্রদান করেছেন আদালত।উল্লেখ্য, আড়াইহাজার উপজেলার কদমীরচর এলাকায় যুবদল নেতা সালাম হত্যাকাণ্ডের জের ধরে লাল মিয়াকে হত্যা করা হয়। এতে পাল্টাপাল্টি দুইটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। সালাম হত্যা মামলাটি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। শাহাদাত হোসেন/এফএ/পিআর