দেশজুড়ে

ঝুঁকির মুখে পড়তে যাচ্ছে মংলা শহর

অনিয়মতান্ত্রিকভাবে করা হচ্ছে মংলা-ঘষিয়াখালী নৌ চ্যানেলের  ড্রেজিং এর কাজ। এর ফলে একদিকে যেমন মংলা ও পশুর নদীর মোহনা ভরাট হয়ে যাচ্ছে । অন্যদিকে  মংলা শহর নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়ছে। এ ভয়াবহ অবস্থায় স্থানীয় এমপির নির্দেশও মানা হচ্ছে না । এমনটাই দাবী করছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ।  মঙ্গলবার দুপুরে মংলা প্রেসক্লাবে উপজেলা ও পৌর আওয়ামীলীগের ব্যানারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এমনটাই দাবী করা হয়। এ ব্যাপারে তারা প্রধানমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।মংলা পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ আব্দুর রহমান তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, মংলা-ঘষিয়াখালী চ্যানেলকে সচল করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সম্প্রতি ২৬৫ কোটি টাকা ব্যায়ে ২টি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে।  যার একটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব নেন বিআইডব্লিউটিএ অন্যটি আন্তর্জাতিক টেন্ডারের মাধ্যমে দায়িত্ব পান চায়না হারবার ইঞ্জিনিয়ারিং কোং লিঃ নামের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। বিআইডব্লিউটিএ ঘষিয়াখালী-রামপাল অংশে কাজ করছে এবং চায়না হারবার ইঞ্জিনিয়ারিং কোং লিঃ কাজ করছে মংলা-রামপাল অংশে। আব্দুর রহমান জানান, মূলত পলি পড়ে ভরাট হয়ে যাওয়া মংলা নদীর মূল চ্যানেলের মোহনা থেকে ড্রেজিং এর কাজ শুরু করে ভরাট হয়ে যাওয়া মূল চ্যানেলটি ড্রেজিং করতে  হবে। কিন্তু মংলা নদীর ভরাট হওয়া মূল চ্যানেল না কেটে নিয়ম বহির্ভূত ভাবে মংলা শহর সংলগ্ন এলাকায় ড্রেজিং এর কাজ চালাচ্ছে চায়না হারবার ইঞ্জিনিয়ারিং কোং লিঃ নামের প্রতিষ্ঠানটি। এর ফলে ভবিষ্যতে মংলা শহর নদী গর্ভে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়ছে। অন্যদিকে, ড্রেজিং এর মাটি ফেলে মংলা নদীর মূল চ্যানেলের মুখ বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মংলা পৌর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শেখ আব্দুস সালাম, মংলা থানা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. ইব্রাহিম হোসেন, পৌর আওয়ামীলীগের সহ সাধারণ সম্পাদ কাজী গোলাম হোসেন বাবুল, সাংগঠনিক সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন মিলন, পৌর আওয়ামী লীগের শ্রম সম্পাদক নূর উদ্দিন আল মাসুদ প্রমুখ।এমজেড/পিআর