নারায়ণগঞ্জের ব্যবসায়ী নেতা সাব্বির আলম খন্দকারের হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে। ব্যবসায়ী নেতার এখনো হত্যাকারীদের বিচারের আওতায় না আনার কারণে পরিবারের পক্ষ হতে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। শনিবার সাব্বির আলম খন্দকারের ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শহরের চাষাঢ়া নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। পরে কালো পতাকা নিয়ে শহরের মাসদাইর এলাকার সিটি কর্পোরেশনের কবরস্থানে গিয়ে শাব্বিরের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান এবং দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধন কর্মসূচিতে নিহত সাব্বির আলমের বড় ভাই বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা তৈমূর আলম খন্দকার বলেছেন, আমরা সবাই জানি কিন্তু বলি না। কিন্তু সাব্বির আলম বলতো। আর সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কথা বলতে গিয়ে তাকে নির্মমভাবে খুন হতে হয়েছিল। স্ত্রী ও সন্তানরাও তাকে হারিয়েছে। এ সন্ত্রাসের সঙ্গে ক্ষমতাসীন দলের লোকজন জড়িত, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা জড়িত, তাই এদের নির্মূল করছে না। তবে আমরা এর প্রতিবাদ করবোই। জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ার হোসেন খানের সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন, মসদাইর এলাকার শাহবুদ্দিন খন্দকার, আমানউল্লাহ, সামসুল হক খন্দকার, বিএনপি নেতা নূর উদ্দিন, মহানগর বিএনপির উপদেষ্টা জামাল উদ্দিন কালু, জেলা বিএনপির সহসভাপতি ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ বিশ্বাস, মহানগর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ প্রমুখ।উল্লেখ্য সাব্বির আলম খন্দকার দেশের গার্মেন্টস মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ নিটওয়্যার অ্যান্ড ম্যানুফেকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) প্রতিষ্ঠাকালীন পরিচালক ও সাবেক সহ-সভাপতি ছিলেন। তিনি বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও জেলা বিএনপির প্রাক্তন সভাপতি এবং বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন সংস্থার (বিআরটিসির) সাবেক চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকারের ছোট ভাই। ২০০৩ সালের শুরুর দিকে অপারেশন ক্লিন হার্ট চলাকালীন একটি অনুষ্ঠানে প্রশাসনের লোকজনের উপস্থিতিতে সাব্বির আলম নিজের জানাজায় সবাইকে শরিক হওয়ার আহ্বান জানিয়ে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেন। ওই বক্তব্য প্রদানের কয়েকদিন পর ১৮ ফেব্রুয়ারি শহরের মাসদাইর এলাকায় নিজ বাড়ির অদূরে আততায়ীদের গুলিতে নিহত হন তিনি। মো. শাহাদাত হোসেন/এএম/আরআইপি