নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী ফোরাম জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় উপদেষ্টা নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের এমপি সেলিম ওসমান বলেছেন, এটা একটি গুরুত্বপূর্ণ সভা। এ সভায় সকল জনপ্রতিনিধিদেরই থাকা উচিত।
বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের কথা উল্লেখ করে সেলিম ওসমান বলেন, পত্রিকার খবর দেখলে মনে হয় নির্বাচন শুরু হয়ে গেছে। আর নমিনেশন সাংবাদিক ভাইয়েরা দিচ্ছেন। এখনই ওমুক আসনে উনি নমিনেশন পাবেন, উনি এগিয়ে- এসব নিয়ে নানা ধরনের সংবাদ হচ্ছে।
রোববার সকাল সাড়ে ১১টায় নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন এমপি সেলিম ওসমান। সভায় জেলার ছয়জন এমপির মধ্যে সেলিম ওসমান ছাড়া বাকি সবাই ছিলেন অনুপস্থিত।
তিনি বলেন, নারায়ণগঞ্জের হকার ব্যাবসায়ীদের ৫ ভাগও স্থানীয় না। এখন পুলিশ যদি দোকান ভেঙে দেয় তাহলেও দোষ, আবার বসতে দিলেও দোষ। আমাদের কিছু দালাল প্রকৃতির লোক আছে তারা এই লোকদেরকে বসিয়ে মহা আনন্দে গাড়ি দিয়ে ঘুরছে।
শহরের ফুটপাত দখল ও যানজট সম্পর্কে তিনি বলেন, গত ঈদেও আমি যানজট নিরসনের জন্য টাকা দিয়েছিলাম। এ বছর তা সম্ভব হয়নি। কারণ সব কিছুর জন্য পূর্ব পরিকল্পনা প্রয়োজন। আগামীতে আরও একটি ঈদ এবং দুর্গাপূজা রয়েছে সেই সময় রাস্তাঘাট যানমুক্ত রাখার জন্য আমাদেরকে আগের থেকেই পরিকল্পনা করতে হবে।
এ সময় জেলা প্রশাসক রাব্বী মিয়া জঙ্গিবাদ ও মাদক নির্মূলে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। এছাড়া চাঞ্চল্যকর ও রোমহর্ষক হত্যা, ডাকাতি,ও ধর্ষণ মামলাসহ দেশি-বিদেশি নাগরিক নিরাপত্তা, আবর্জনা নিরসনে ওয়েস্ট এনার্জি পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপন, রমজানে মাসে বাজার মনিটরিং, যানজট নিরসন বিষয়ক আলোচনা করা হয়।
জেলা প্রশাসক রাব্বী মিয়ার সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার মঈনুল হক, র্যাব-১১ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইকবাল হোসেন, সিভিল সার্জন এহছানুল হক, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাসমিন জেবিন বিনতে শেখ, বন্দর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মৌসুমি হাবিব, সোনারগাঁও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহানা ইসলাম, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজদ বিশ্বাস, বন্দর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যন আতাউর রহমান মুকুল, সোনারগাঁ উপজেলা চেয়ারম্যান আজারুল ইসলাম মান্নান প্রমুখ।
এএম/পিআর