কুমিল্লার মুরাদনগরে অপহরণরে ৪ দিন পর জিহাদ নামের এক স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার সকালে উপজেলার রামচন্দ্রপুর মির্জাপুর গ্রাম থেকে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। নিহত জিহাদ স্থানীয় ফুলকলি কিন্ডার গার্ডেনের ২য় শ্রেণির ছাত্র ছিল। এ ঘটনায় পুলিশ অপহরণকারী রবিউলসহ তার ৩ আত্নীয়কে আটক করেছে। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, রামচন্দ্রপুর এলাকার মির্জাপুর গ্রামের প্রবাসী বাবুল মিয়ার একমাত্র ছেলে জিহাদ (৮) কে গত শনিবার সন্ধ্যায় নিজ বাড়ির সামনে থেকে অপহরণ করা হয়। পরে মোবাইল ফোনে অপহরণকারী একই গ্রামের রবিউল জিহাদের মা শাহেনা বেগমের কাছ থেকে ১ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। ঘটনার পর দিন জিহাদের চাচা শহিদ মিয়া বাদী হয়ে মুরাদনগর থানায় অপহরণ মামলা দায়ের করে। পুলিশ মোবাইল ফোনের কল লিস্টের সূত্র ধরে অপহৃত জিহাদকে উদ্ধারের অভিযান শুরু করে। সোমবার সকালে অপহরণকারী রবিউলকে গ্রেফতারের পর মঙ্গলবার তার ঘরের পাশেই পাওয়া যায় শিশু জিহাদের মরদেহ। এদিকে মঙ্গলবার জিহাদের মরদেহ উদ্ধারের পর অপহরণ ও হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকার সন্দেহে অপহরণকারী রবিউলের চাচা আ. রহিম, মা আমির জাহান ও বোন সালমা বেগমকেও আটক করেছে পুলিশ।এ ব্যাপারে মুরাদনগর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, এ ঘটনায় রবিউল ছাড়াও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তার ৩ নিকটাত্নীয়কে আটক করা হয়েছে। এ হত্যাকাণ্ডে কত জন জড়িত ছিল তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায় নি।মো. কামাল উদ্দিন/এসএস/এমএস