দেশজুড়ে

দুই লাখ ২৪ হাজার রোহিঙ্গা বায়োমেট্রিক নিবন্ধনের আওতায়

পাসপোর্ট অধিদফতরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাসুদ রেজোয়ান বলেছেন, মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের মধ্যে এ পর্যন্ত দুই লাখ ২৪ হাজার বায়োমেট্রিক নিবন্ধনের আওতায় এসেছে। দু’উপজেলায় ছয়টি কেন্দ্রে ১০০টি বুথে প্রতিদিন ১২-১৩ হাজার রোহিঙ্গা নিবন্ধন হচ্ছে। এ গতি চলমান থাকলে আগামী এক মাসের মধ্যে সব রোহিঙ্গার তথ্যভাণ্ডারে জমা হবে। এনআইডি, ডিএল ও পাসপোর্ট করতে এলে রোহিঙ্গাদের ঠেকিয়ে দেয়া ও মিয়ানমারে ফেরত পাঠাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এ তথ্যভাণ্ডার।

শুক্রবার কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং ও বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে রেজিস্ট্রেশন কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

পাসপোর্ট অধিদফতরে মহাপরিচালক সাংবাদিকদের বলেন, নিবন্ধন প্রক্রিয়াকে আরও গতিশীল করতে বুথের সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে। ছবিযুক্ত এই কার্ডের মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের সঠিক পরিসংখ্যান রাখা যেমন সম্ভব হবে তেমনি বাংলাদেশি জাতীয় পরিচয়পত্র, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও পাসপোর্টের মতো গুরুত্বপূর্ণ শনাক্তকরণ কার্ড তৈরিতে রোহিঙ্গাদের ঠেকিয়ে দেয়া যাবে। এছাড়া রোহিঙ্গাদের সাময়িক আশ্রয় ও মানবিক সহায়তা দেয়ার পাশাপাশি তাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠাতে এই তথ্যভাণ্ডার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এসময় তিনি বায়োমেট্টিক নিবন্ধন বিষয়ে রোহিঙ্গা এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলাপ করেন এবং খোঁজ-খবর নেন। নিবন্ধন প্রক্রিয়া আরও গতিশীল করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ এবং আরও বুথ বাড়ানোর নির্দেশনা দেন তিনি। যে প্রক্রিয়ায় নিবন্ধন চলছে তাতে আগামী এক মাসের মধ্যে রোহিঙ্গা তথ্যভাণ্ডার তৈরির কাজ শেষ হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন মহাপরিচালক।

পরিদর্শন কালে পাসপোর্ট অধিদফতরের সহকারী প্রকৌশলী মাহামুদুল হাসান, অধিদপ্তরের বিভিন্ন পদস্থ কর্মকর্তা ও কক্সবাজার পাসপোর্ট অফিসের এডি আবু নাঈম মাসুমসহ অন্যরা ডিজির সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।

সায়ীদ আলমগীর/এমএএস/পিআর