দেশজুড়ে

৮ দিন আটকে রেখে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ

সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার এক স্কুলছাত্রীকে (১৪) টানা আট দিন আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ওই স্কুলছাত্রী বাদী হয়ে গত বৃহস্পতিবার সাতক্ষীরা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেছে।

ওই স্কুলছাত্রীর মামা জাগো নিউজকে বলেন, আমার ভাগ্নিকে গত ২৬ অক্টোবর বিদ্যালয়ে যাওয়ার সময় মুখে রুমাল দিয়ে অজ্ঞান করে একটি মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায় দেবহাটা থানার গোবরাখালি গ্রামের সামাদ মোল্লার ছেলে মোস্তাকিম হোসেনসহ তার সহযোগিরা। প্রথমে তাকে যশোর নেয়া হয়। পরবর্তীতে ঢাকায় নিয়ে হোটেলে রাখা হয়। তার ওপর চালানো হয় অমানুষিক নির্যাতন। তাকে ধর্ষণ করা হয়। এরপর গত ২ নভেম্বর বৃহস্পতিবার কুলিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আসাদুল ইসলামের কাছে আমার ভাগ্নিকে রেখে যায় বখাটে মোস্তাকিম হোসেনসহ তার সহযোগিরা। ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে দেবহাটার কুলিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আসাদুল ইসলাম মরিয়া হয়ে উঠেছেন।

তিনি আরও বলেন, আমার ভাগ্নি বর্তমানে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। অপহরণ করে নিয়ে যাওয়ার পর দেবহাটা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়। পরবর্তীতে আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে তিনজনকে আসামি করে একটি মামলা করা হয়েছে।

মামলার আসামিরা হলেন- দেবহাটা থানার গোবরাখালি গ্রামের সামাদ মোল্লার ছেলে অপহরণকারী মোস্তাকিম হোসেন (২১), মোস্তাকিমের চাচা বেলায়েত মোল্লাা ও চাচাতো ভাই আব্দুর রাজ্জাক।

এ বিষয়ে দেবহাটা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী কামাল হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, মেয়েটিকে তুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় একটি সাধারণ ডায়েরি হয়েছিল। ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টার বিষয়ে কুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আসাদুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, এ বিষয়ে আমি কোনো কিছুই জানি না। অহেতুক আমার নাম জড়ানো হচ্ছে।

আকরামুল ইসলাম/আরএআর/এমএস