যে মানুষগুলোর সঙ্গে বাড়ি থেকে বের হলো, দুর্ঘটনার সময় একই বিমানে ছিল তাদের মৃত্যুকে বিশ্বাস করতে পারছেন না প্রিয়কের স্ত্রী ও প্রিয়ংময়ী তামাররা মা আলমুন নাহার এ্যানি।
সোমবার বেলা সাড়ে তিনটায় এ্যানিকে ঢাকা থেকে শ্রীপুরের নিজ বাড়িতে আনা হয়েছে। বাড়িতে আনার পর তাকে স্বামী-সন্তানের মৃত্যুর সংবাদ জানানো হয়েছে। মৃত্যুর সংবাদ শোনার পর থেকে এ্যানি কান্নায় ভেঙে পড়েছেন। এ্যানির কান্নায় আশপাশের পরিবেশ ভারি হয়ে যায়। আত্মীয়-স্বজন পাড়া প্রতিবেশীরা তাকে সান্ত্বনা দেয়ার ভাষাও যেন হারিয়ে ফেলেছে।
উল্লেখ্য, নেপালের ত্রিভুবন বিমানবন্দরে সোমবার (১২ মার্চ) দুপুরে ইউএস-বাংলার বিমান বিধ্বস্ত হয়। এতে গাজীপুরের শ্রীপুরের নগর হাওলা গ্রামের ফারুক ও মেহেদী হাসান দম্পতির পাঁচ সদস্য ছিলেন। তারা হলেন, শ্রীপুরের নগরহাওলা গ্রামের মৃত শরাফত আলীর ছেলে ফারুক আহমেদ (৩২), তার স্ত্রী আলমুন নাহার এ্যানি (২৫), তাদের একমাত্র সন্তান প্রেয়সী (৩) ও নগরহাওলা গ্রামের তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে মেহেদী হাসান (৩৩) ও তার স্ত্রী সাঈদা কামরুন্নাহার স্বর্ণা আক্তার (২৫)। ফারুক পেশায় একজন ফটোগ্রাফার, মেহেদী হাসান পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন। ফারুক ও মেহেদী হাসান সম্পর্কে মামাতো ফুপাতো ভাই। অপর দুই সদস্য ফারুক আহমেদ প্রিয়ক ও তার একমাত্র সন্তান প্রিয়ংমনী তামাররা বিমান বিধ্বস্তে মারা যান।
শিহাব খান/এমএএস/পিআর