স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭৩ সালে ইম্পোরিয়াল কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (আইসিআই) বাংলাদেশ ম্যানুফেকচারিং নামে একটি কোম্পানি যাত্রা শুরু করে, যা ১৯৯২ সালে মালিকানা পরিবর্তনের মাধ্যমে আজকের এই এসিআই বা অ্যাডভান্সড কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ।
২০১৮ সালে এসিআই ২৫ বছরে পদার্পণ করেছে। সেই উপলক্ষে হোটেল রেডিসনে জমকালো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশের তরুণ-তরুণীদের নতুন কিছু করার অনুপ্রেরণা যোগাতেই ‘দুঃসাহসী বাংলাদেশ’ নামে একটি ক্যাম্পেইন উদ্বোধন করে। এসিআই উক্ত অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় কিছু তরুণ-তরুণীদের সম্মাননা স্মারক তুলে দেয়।
প্রায় সাড়ে ৮ হাজার কর্মীর পরিশ্রমে ১৫টি সহযোগী প্রতিষ্ঠান দ্বারা কয়েক হাজার পণ্য উৎপাদনের মাধ্যমে দেশে ও বিদেশে এসিআই এর পণ্য রফতানি করা হয়ে থাকে।
এসিআই-এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এম আনিস উদ দৌলা বলেন, ‘ক্রেতার সন্তুষ্টি অর্জন করতে পণ্যের গুণগত মান ঠিক রাখা অত্যাবশ্যকীয়। ২৫ বছরে এই নীতি ধরে রেখেই এসিআই-এর পথচলা। পণ্যের মানরক্ষা ও পরিবেশ সুরক্ষিত রাখা এই দুটো দিকেই আমরা সর্বোচ্চ খেয়াল রেখেছি।’
তিনি আরও বলেন, বিগত ১০ বছরে আমাদের ২৫-৩০ শতাংশ করে বাৎসরিক ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি হয়েছে। আমরা আশা করি ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে। একমাত্র বেসরকারি খাতের মাধ্যমেই দেশের উন্নতি সম্ভব হয় ও কর্মসংস্থান তৈরি হয় এবং আমরাই অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি।
বর্তমানে বাংলাদেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ব্যাপক প্রতিবন্ধকতা দেখা যাচ্ছে, দেশে গ্যাস ও বিদ্যুৎ এর অপ্রতুলতা, তারল্য সংকট। যানজটের অসহনীয় পর্যায়ে যাওয়ার ফলে প্রচুর আর্থিক ক্ষতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে। যা ব্যবসায়িক ব্যয় বাড়িয়ে দিচ্ছে।
তরুণ উদ্যোক্তারা সাধারণত নতুন নতুন কাজে যুক্ত হয়ে থাকে। তাদের নিজ নিজ কাজে লেগে থাকা উচিত, তবেই সফলতা আসবে। একটু খারাপ পরিস্থিতিতে পড়লেই হতাশ হয়ে কাজ ছেড়ে দেয়া উচিত নয়। এসিআই-এর মূল লক্ষ্যই হলো উন্নত বাংলাদেশ গঠনে ও দেশকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত করায় অবদান রাখা।
এমআরএম/এসএম