দেশজুড়ে

নাচ শেখানোর কথা বলে ৩য় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলায় নাচ শেখানোর কথা বলে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে এক শিশু শিক্ষার্থীকে (৯) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিন কিশোরসহ চারজনকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে উপজেলার কাঁচপুর ইউনিয়নের ললাটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

আটকরা হলেন- কাঁচপুর ললাটি গ্রামের হাসিবের ছেলে সৈকত (১৫), মিজানের ছেলে সাব্বির (১৪) এবং বাড়ির মালিক বিল্লাল ভান্ডারি (৫০) ও তার ছেলে শাহজালাল (১৭)। ধর্ষণের শিকার শিশুটি স্থানীয় একটি স্কুলের ৩য় শ্রেণির ছাত্রী। সে সৈকত ও সাব্বিরের সঙ্গে নাচ শিখতো।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার কাঁচপুর ইউনিয়নের ললাটি গ্রামের বিল্লাল ভান্ডারির বাড়িতে ভাড়া থাকে ওই শিশুসহ তার পরিবার। মঙ্গলবার রাতে একই এলাকার সৈকত ও সাব্বির নাচ শেখার কথা বলে বাড়ি থেকে শিশুটিকে বের করে বাড়ির পাশে জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণ করে। এ সময় শিশুটি আর্তচিৎকারে এলাকার লোকজন ছুটে এলে সৈকত ও সাব্বির পালিয়ে যায়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে পরিবার। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা মঙ্গলবার রাতেই সোনারগাঁ থানায় অভিযোগ করলে পুলিশ ওই বাড়ির মালিক বিল্লাল ভান্ডারি ও তার ছেলে শাহজালালসহ সাতজনকে প্রথমে আটক করে। পরে তাদের জিজ্ঞাসাবাদে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত সৈকত ও সাব্বিরকে বুধবার দুপুরে আটক করা হয়। অন্য পাঁচজনকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছেড়ে দেয়া হয়।

সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোরশেদ আলম জানান, শিশু ধষর্ণের অভিযোগে অভিযুক্ত দুই কিশোর এবং তথ্য গোপন করায় ওই বাড়ির মালিক ও তার ছেলেকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

শাহাদাত হোসেন/আরএআর/জেআইএম