শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেছেন, ২০০৮ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা ঘোষণা দিয়েছিলেন আওয়ামী লীগ সরকার কুরআন-সুন্নাহ বিরোধী কোনো আইন পাস করবে না। তিনি সেই ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছেন।
তিনি বলেন, ক্ষমতা গ্রহণের পর দেশের ৫৬০টি উপজেলায় মডেল মসজিদ স্থাপনের পরিকল্পনা গ্রহণ, ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রূপ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কার্যক্রমের পরিধি বিস্তৃত করেছে শেখ হাসিনার সরকার। যারা ধর্মের দোহাই দিয়ে আওয়ামী লীগ বিদ্বেষী মনোভাব পোষণ করেন তারা ইসলামের জন্য কোনো অবদান রাখেনি। জননেত্রী শেখ হাসিনা ইসলামের সম্প্রসারণে অনেক বেশি অবদান রেখেছেন।
রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঝালকাঠি শহরের টিঅ্যান্ডটি রোডের একটি কমিউনিটি সেন্টারে পৌর এলাকার ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন তিনি।
আমির হোসেন আমু বলেন, স্কুল-কলেজের পাশাপাশি মসজিদ-মাদরাসার উন্নয়ন করেছে আওয়ামী লীগ সরকার। আমরা ধর্মপ্রাণ হলেও ধর্মান্ধ নই। সব কিছু আল্লাহর হাতে, তিনি সবকিছুর ওপর ভাগ্য নির্ধারণ করেন। তবে আমাদের চেষ্টায় আল্লাহ ভাগ্য পরিবর্তন করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতীক নৌকায় ভোট দিলে ইসলামের সম্প্রসারণ বেগবান হবে।
এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন- আলমদিনা জামে মসজিদের খতিব মাওলানা আব্দুল খালেক নোমানী, কালেক্টরেট জামে মসজিদের খতিব মাওলানা আবু হানিফ, উপজেলা পরিষদ জামে মসজিদের খতিব কুতুবনগর মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল মান্নান, মাওলানা মুহাম্মদ আবু মুসা ও মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল কুদ্দুস নেছারী প্রমুখ।
পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মেয়র লিয়াকত আলী তালুকদারের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন- জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সরদার মো. শাহ আলম, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খান সাইফুল্লাহ পনির, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতির সভাপতি পিপি অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান রসুল ও জেলা ইমাম সমিতির সভাপতি বায়তুল মোকাররম মসজিদের খতিব মাওলানা আব্দুল হাই নিজামী।
মো. আতিকুর রহমান/এএম/আরআইপি