ফরিদপুরের মধুখালীর মেয়ে লামিয়ার বক্তব্য শুনে মুগ্ধ হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ মুগ্ধতার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, মধুখালীর মেয়ে লামিয়ার মধুর বক্তব্য শুনে আমি মুগ্ধ হয়েছি।
এ কথা বলে তিনি লামিয়াকে লেখাপড়া করার পরামর্শ দিয়ে বলেন, তোমরা সবাই ভালো করে লেখাপড়া করবে। মানুষের মতো মানুষ হবে। বাবা-মা, শিক্ষক, গ্রামবাসী ও দেশের মানুষের মুখ উজ্জ্বল করবে। তোমরা যখন সোনার মানুষ হবে, তখনই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়ন হবে। বিদ্যুৎ নিশ্চিত করতে বুধবার গণভবন থেকে শতভাগ ২৩ উপজেলায় ৭টি বিদ্যুৎকেন্দ্র ও ২৩টি বিশেষায়িত বিদ্যুতায়ন প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এই মুগ্ধতার কথা প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান।
প্রধানমন্ত্রী ফরিদপুর, নাটোর, পিরোজপুর, নেত্রকোনার বিদ্যুৎ উপকারভোগী ছাত্র, ব্যবসায়ী, কৃষক ও মসজিদের ইমামের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
বিদ্যুতের কারণে ছাত্র-ছাত্রী, কৃষক, শ্রমিক ব্যবসায়ী ক্ষুদ্র উদ্যোক্তার উন্নয়নের কথা তুলে ধরেন মধুখালীর মেয়ে লামিয়া। অনুষ্ঠানে ‘বঙ্গবন্দুর কন্যাকে সালাম জানাই হাজার বার, সোনার বাংলা গড়ছে দেখো শেখ হাসিনার সরকার’ এই গানটি গান ফরিদপুরের মেয়েরা।
নেত্রকোনার বিউটিশিয়ান সাদিয়া আক্তার নুপুর একজন উপকার ভোগী। তিনি বলেন, গ্রামে বিদ্যুৎ আসার কারণে আমি বিউটি ফিকেশনের কাজ করে ভালো পয়সা উপার্জন করতে পারছি। ছোটবেলায় যখন শহরে যেতাম তখন দেখতাম বিউটি পার্লার। তখন ভাবতাম এ রকম একটি বিউটি পার্লার যদি করতে পারতাম। শেখ হাসিনার কারণে আজ আমার সে স্বপ্ন পূরণ হয়েছে।
এ কথা শুনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষের অর্থিক অবস্থা ভালো হয়েছে। স্বচ্ছলতা এসেছে। এ কারণে গ্রামে বিউটি পার্লার করে উপার্জন করা সম্ভব হচ্ছে। একই সঙ্গে মা-বোনেরাও সেবা পাচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘নেত্র মানে চোখ। তাই নেত্রকোনা শব্দের অর্থ হচ্ছে চোখের কোণা। চোখের কোণা এতদিন চোখের আড়ালেই ছিল। এখন চোখের সামনে এসেছে।’
এফএইচএস/জেডএ/এমকেএইচ