কিশোরগঞ্জের ৫১ জন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের টাইম স্কেল কর্তনের আদেশ ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। এর ফলে তাদের টাইম স্কেল পেতে আর কোনো বাধা রইল না বলে জানান রিটকারীদের আইনজীবী।
একইসঙ্গে, টাইমস স্কেল কর্তন আদেশ কেন বাতিল করা হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্টদের এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
পৃথক দুটি রিটের প্রাথমিক শুনানিতে মঙ্গলবার হাইকোর্টের বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
আদালতে রিটকারীদের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া, তাকে সহযোগিতা করেন মো. সোহরাওয়ার্দী সাদ্দাম। অন্যদিকে রাষ্ট্র পক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার এ বি এম আব্দুল্লাহ্ আল মাহমুদ বাশার।
আইনজীবী ছিদ্দিক উল্লাহ বলেন, রিটকারী ৫১ জন জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে গেজেটভুক্ত। অধিগ্রহণকৃত বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বিধিমালা-২০১৩ অনুযায়ী তারা যথারীতি টাইম স্কেল প্রাপ্ত হয়েছেন এবং উক্ত টাইম স্কেল ২০১৯ পর্যন্ত পেয়েছেন কিন্তু কোনো নোটিশ প্রদান ছাড়াই বিবাদীরা টাইম স্কেল কর্তনের অফিস আদেশ জারি করেন, যা সম্পূর্ণ অবৈধ।
উক্ত টাইম স্কেল কর্তনের আদেশকে চ্যালেঞ্জ করে পৃথক দুটি রিট পিটিশন দায়ের করলে উক্ত রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়া ও ইটনা উপজেলার ৫১ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের টাইম স্কেল কর্তনের আদেশ ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট।
রিটকারীরা হলেন- কিশোরগঞ্জ জেলার ইটনা উপজেলার মো. রমজান আলী, মোঃ আনিছুল হক, মো. শাহানুর আলম এবং পাকুন্দিয়া উপজেলার মো. নুরুল আফছার (শহীদ), মো. আব্দুর রাজ্জাক, সালমা পারভীনসহ ৫১ জন।
এফএইচ/জেএইচ/এমএস