টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার কুমুদিনী হাসপাতালে করোনার উপসর্গ নিয়ে অন্তঃসত্ত্বার মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১৮এপ্রিল) সকালে করোনা আইসোলেশন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. এবি এম আলী হাসান। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসের স্বাস্থকর্মীরা তার নমুনা সংগ্রহ করেছেন বলে জানা গেছে।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, ছয় সপ্তাহের ওই অন্তঃসত্ত্বা রক্তক্ষরণ নিয়ে গত বুধবার (১৫ এপ্রিল) কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি হন। রাতেই তার শরীরে অস্ত্রোপচার করা হয়। এরপর থেকে তার খিঁচুনি, জ্বর ও শ্বাসকষ্টসহ নানা সমস্যা দেখা দেয়। পরে তাকে করোনা আইসোলেশন ইউনিটে স্থানান্তর করা হয়। শনিবার সকালে সেখানে তার মৃত্যু হয়।
স্বামী মোশারফ হোসেন জানান, তার স্ত্রীর করোনা উপসর্গ ছিল না। তবে স্ত্রীর শরীরে রক্ত কম ছিল বলে একাধিক চিকিৎসক তাকে জানিয়েছেন। কি কারণে তার স্ত্রী মারা গেলেন রিপোর্ট পাওয়ার পর তাদের জানানো হবে বলে হাসপাতাল থেকে জানানো হয়েছে।
কুমুদিনী হাসপাতালের পরিচালক ডা. প্রদীপ কুমার রায় বলেন, ছয় সপ্তাহের ওই অন্তঃসত্ত্বা রক্তক্ষরণ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। পরে তার অপারেশন করা হয়। এতে প্রচুর রক্তক্ষরণ শুরু হয় তার। শুক্রবার সকালে তার জ্বরসহ করোনা উপসর্গ দেখা দেয়। পরে তার আরও কয়েকটি পরীক্ষা করানো হয়। রাতেই তাকে আইসোলেশনে রাখা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাকসুদা খানম বলেন, গৃহবধূ ভর্তির পর অস্ত্রোপচার করা হয়েছিল। করোনা উপসর্গ দেখা দেয়ায় তাকে হাসপাতালের আইসোলেশন ইউনিটে নেয়া হয়। তার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। পরীক্ষার পর জানা যাবে তিনি করোনায় আক্রান্ত ছিলেন কিনা।
এস এম এরশাদ/এএম/এমকেএইচ