বগুড়া শহরে থার্টি ফার্স্ট নাইটে পিকনিক করতে গিয়ে নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে গিয়ে আবদুল মতিন (৪৩) নামের এক শিক্ষকের মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার (১ জানুয়ারি) ভোরের দিকে ঢাকায় হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
আবদুল মতিন গাবতলী উপজেলার কালাইহাটা গ্রামের মৃত মোজাহার আলী প্রামাণিকের ছেলে। তিনি গাবতলীর ধোরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ছিলেন।
শিক্ষক মতিন স্ত্রী ও দুই মেয়েকে নিয়ে শহরের নাটাইপাড়া বিলপাড় এলাকায় নিজের ভবনে বসবাস করতেন।
বগুড়া পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পরিমল দাস ও ফখরুল মুলক লিমন নামের এক শিক্ষক জানান, প্রতি বছরের মতো বৃহস্পতিবার রাতে থার্টি ফার্স্ট নাইট উপযাপনে ২৬ জন বিভিন্ন পেশার এলাকাবাসী পিকনিকের আয়োজন করেন। এবার টিপু মাস্টার নামের এক প্রধান শিক্ষকের নির্মাণাধীন তিনতলা ভবনের ছাদে রান্না ও খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছিল।
রাত ৯টার দিকে শিক্ষক আবদুল মতিন ফোনে কথা বলার সময় অরক্ষিত ও বাতি না থাকা সিঁড়ি দিয়ে নামার চেষ্টা করেন। তখন তিনি পা ফসকে সিঁড়ির ফাঁকে পড়ে গিয়ে মাথায় আঘাত পান। তাকে দ্রুত উদ্ধার করে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে রাতেই তাকে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে নেয়ার পথে ভোর দিকে মারা যান।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির জানান, সিঁড়ি থেকে পড়ে শিক্ষক মৃত্যুর ব্যাপারে শুনেছি। এটা খুবই দুঃখজনক একটা ঘটনা।
এসআর/জেআইএম