সাতক্ষীরার কলারোয়া পৌর নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগে দুই মেয়র ও তিন কাউন্সিলর প্রার্থী ভোট বর্জন করেছেন।
বিএনপির এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়া, ভোটারদের কাছ থেকে ব্যালট কেড়ে নৌকা প্রতীকে সিল মারাসহ নৌকা প্রতীকে সিল মারা ব্যালট সরবরাহের অভিযোগে তারা ভোট বর্জন করেছেন বলে জানান।
ভোট বর্জনকারী প্রার্থীরা হলেন, বিএনপির মেয়র প্রার্থী শরিফুজ্জামান তুহিন ও স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী নার্গিস সুলতানা। এছাড়া ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী আসাদ খান, রফিকুল ইসলাম ও মোজাহিদুল ইসলাম।
শনিবারে দুপুরে স্ব স্ব নির্বাচনী কার্যালয় থেকে ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন তারা।
বিএনপির প্রার্থী শরিফুজ্জামান তুহিন ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়ে বলেন, এই সরকারের অধীনে কোনো সুষ্ঠু ভোট হতে পারে না। তিনি প্রার্থী অথচ তাকে কেন্দ্র থেকে বের করে দিয়েছে মারপিট করে। প্রতিটি কেন্দ্রের এজেন্টদের মারপিট করে বের করে দিয়েছে। সাংবাদিকদের কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দিচ্ছে না। প্রহসনের নির্বাচন হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, সকাল ৯টার আগেই প্রতিটি কেন্দ্রের ব্যালটে সিল মারা শেষ। পৌরসভার ভোটার নয় এমন নারী-পুরুষদের এনে ভোটকেন্দ্রে রাখা হয়েছে। ভিতরে প্রিসাইডিং অফিসারের সহযোগিতায় পুলিশ ভোট কেটে বাক্স ভরছে। কোনো আইনী সহায়তা আমি পাইনি।
বিএনপি থেকে স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী নার্গিস সুলতানা সংবাদ সম্মেলনে বলেন, তার এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। তাছাড়া, ভোটারদের কাছ থেকে ব্যালট কেড়ে নিয়ে নৌকা প্রতীকে সিল মারা হচ্ছে এবং কোথাও কোথাও নৌকা প্রতীকে সিল মারা ব্যালট সরবরাহ করা হচ্ছে। ভোটে এমন কারচুপির অভিযোগে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন।
এদিকে ভোটকেন্দ্রে থেকে শত শত নারী পুরুষদের উপস্থিতি দেখা গেলেও কেউ ভোট দিতে পারেননি।এমনকি সাংবাদিকদের ছবি ও ভিডিও নিতে বাধা দিয়ে গালাগাল করছেন আওয়মী লীগের নেতাকর্মীরা।
এফএ/এমএস