নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের মেয়র আবদুল কাদের মির্জা ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলের গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় তাৎক্ষণিক ফেসবুক লাইভে এসে নিজের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন মেয়র আবদুল কাদের মির্জা।
লাইভে কাদের মির্জা বলেন, ‘আজকে একরামুল করিম চৌধুরীর সন্ত্রাসী বাহিনী, নিজাম হাজারীর সন্ত্রাসী বাহিনী আমার চাপ্রাশিরহাটের চরফকিরার মানুষের ওপর গুলিবর্ষণ করেছে পুলিশের সহযোগিতায়। পুলিশের সামনে থেকে আমার লোকদের ওপর গুলি করেছে। ইতোমধ্যে প্রায় ৫০ জনের মতো আহত হয়েছে। অনেকে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। এই এলাকার কি অভিভাবক নাই? আজকে যদি একটা মায়ের বুক খালি হয় এটার জন্য ওবায়দুল কাদের, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান সাহাব উদ্দিন এবং প্রশাসনকে দায়ী থাকতে হবে।’
শুক্রবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৫টা ৪১ মিনিটে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে লাইভে এসে এসব কথা বলেন বসুরহাটের মেয়র আবদুল কাদের মির্জা।
তিনি আরও বলেন, ‘নোয়াখালীর এসপি, ডিসি এদের সহযোগিতায় আজকে একরাম চৌধুরী তার বাড়িতে মিটিং করে এখানে গুন্ডা এবং সন্ত্রাসী-অস্ত্রধারী পাঠিয়েছে। আমিও আছি প্রয়োজনে মৃত্যুবরণ করব, এখান থেকে যাব না।’
‘ওবায়দুল কাদের আপনাকে জবাব দিতে হবে আমার এলাকার একটা লোকের (যদি) মৃত্যু হয়। সাহাব উদ্দিন আপনাকে জবাব দিতে হবে। প্রশাসনকে জবাব দিতে হবে আজকে কেন অস্ত্রের ঝনঝনানি’-যোগ করেন কাদের মির্জা।
এর আগে শুক্রবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৫টার পর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চাপরাশিরহাট পূর্ব বাজার এলাকায় আবদুল কাদের মির্জা ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এতে তিনজন গুলিবিদ্ধসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ ও ফাঁকা গুলি ছোঁড়ে।
মিজানুর রহমান/এসআর/জিকেএস